‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। দিবসটি ঘিরে সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা, উগ্রবাদী তৎপরতা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে বাহিনীটি পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধেও র্যাব প্রস্তুত রয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজস্ব নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত রুট এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে এলাকাভিত্তিক তথ্যদাতা (সোর্স) নিয়োগ, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
র্যাব আরও জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরতা ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রতিটি জেলার অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ইউনিফর্মধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সাইবার পেট্রোলিংও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের ভাষ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত, অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইন ভঙ্গকারীদের আইনের আওতায় আনতে বাহিনীটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। দিবসটি ঘিরে সম্ভাব্য যেকোনো নাশকতা, উগ্রবাদী তৎপরতা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে বাহিনীটি পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধেও র্যাব প্রস্তুত রয়েছে।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজস্ব নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত রুট এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে এলাকাভিত্তিক তথ্যদাতা (সোর্স) নিয়োগ, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
র্যাব আরও জানায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরতা ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রতিটি জেলার অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে ইউনিফর্মধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে সাইবার পেট্রোলিংও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের ভাষ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত, অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইন ভঙ্গকারীদের আইনের আওতায় আনতে বাহিনীটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে দায়িত্ব পালন করবে।

আপনার মতামত লিখুন