নজর বিডি

গাজায় হামলার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা জোটের মানববন্ধন

গাজায় হামলার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা জোটের মানববন্ধন
মুক্তিযোদ্ধা জনতা জোটের আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি গাজায় ইসরাইলি হামলার বর্বরতার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধ একাডেমীর উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্র-জনতার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল সকাল দশটায় মানিক মিয়া এভিনিউতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড: আবুল কালাম আজাদ। মুক্তিযুদ্ধ একাডেমী ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বৈষম্য বিরোধী সামাজিক সংগঠন মুক্তিযোদ্ধা - জনতা জোটের আত্মপ্রকাশ ও সাম্প্রদায়িক, সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং যুদ্ধবাজ শক্তিকে প্রতিহত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা হয়। মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে ড: আবুল কালাম আজাদ বলেন, সমাজের সকল অসঙ্গতি দূর করার লক্ষ্য নিয়ে আজকে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা জোট একটি সামাজিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করলো। বর্তমানে জোটের গঠনতন্ত্র প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি সম্পন্ন হলেই সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হবে। বর্তমানে গাজায় মুসলিমদের উপর যে হামলা চালানো হচ্ছে তা খুবই অমানবিক। যেকোনো যুদ্ধের মতো গাজায় সবচেয়ে বেশি সহিংসতার শিকার হচ্ছে নারী ও শিশু। গাজার যুদ্ধের পেছনে রয়েছে হাজার বছরের সমস্যা। গাজার চলমান যুদ্ধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার হতে হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে প্রতিহত করে মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা খুব জরুরি।’ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে সরকারের যা ভূমিকা পালন করার কথা ছিল তা করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। আমরা দীর্ঘ ৩১ বছর গবেষণা করে পেয়েছি একাত্তরের রণাঙ্গনের মাঠে ১৭ হাজার মুক্তিযোদ্ধা আত্মহতি দিয়েছে। তার মধ্যে অধিকাংশ কবর হয়েছে সীমান্তের ওপারে। এই কবরগুলো বিলীন হয়ে গেছে প্রকৃতির সাথে। আমরা দাবি জানিয়েছিলাম নামের ফলক লাগিয়ে কবরগুলো রক্ষা করার জন্য সেই দাবিগুলো মানা হয়নি। প্রকল্প হয়েছে কিন্তু টাকাও উঠেছে কিন্তু সংরক্ষণের কোনো কাজ এখন পর্যন্ত হয়নি। এই আয়োজন আরও বক্তব্য রাখেন, যুদ্ধ চলাকালীন কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা-জনতা জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: হারুন- অর- রশিদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এমদাদুল হক এমদাদ। বরিশাল সদরের বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গচন্দ্র দাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আসফিক খান রাজিব। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইয়াসিন সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোয়াবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি এহতেশাম হক সাবিত সহ আরও অনেকে।  

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


গাজায় হামলার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা জোটের মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৫

featured Image
মুক্তিযোদ্ধা জনতা জোটের আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি গাজায় ইসরাইলি হামলার বর্বরতার প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধ একাডেমীর উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ছাত্র-জনতার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল সকাল দশটায় মানিক মিয়া এভিনিউতে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ একাডেমি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ড: আবুল কালাম আজাদ। মুক্তিযুদ্ধ একাডেমী ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বৈষম্য বিরোধী সামাজিক সংগঠন মুক্তিযোদ্ধা - জনতা জোটের আত্মপ্রকাশ ও সাম্প্রদায়িক, সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং যুদ্ধবাজ শক্তিকে প্রতিহত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা হয়। মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে ড: আবুল কালাম আজাদ বলেন, সমাজের সকল অসঙ্গতি দূর করার লক্ষ্য নিয়ে আজকে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা জোট একটি সামাজিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করলো। বর্তমানে জোটের গঠনতন্ত্র প্রণয়নের কাজ চলছে। এটি সম্পন্ন হলেই সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা হবে। বর্তমানে গাজায় মুসলিমদের উপর যে হামলা চালানো হচ্ছে তা খুবই অমানবিক। যেকোনো যুদ্ধের মতো গাজায় সবচেয়ে বেশি সহিংসতার শিকার হচ্ছে নারী ও শিশু। গাজার যুদ্ধের পেছনে রয়েছে হাজার বছরের সমস্যা। গাজার চলমান যুদ্ধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার হতে হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে প্রতিহত করে মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা খুব জরুরি।’ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে সরকারের যা ভূমিকা পালন করার কথা ছিল তা করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। আমরা দীর্ঘ ৩১ বছর গবেষণা করে পেয়েছি একাত্তরের রণাঙ্গনের মাঠে ১৭ হাজার মুক্তিযোদ্ধা আত্মহতি দিয়েছে। তার মধ্যে অধিকাংশ কবর হয়েছে সীমান্তের ওপারে। এই কবরগুলো বিলীন হয়ে গেছে প্রকৃতির সাথে। আমরা দাবি জানিয়েছিলাম নামের ফলক লাগিয়ে কবরগুলো রক্ষা করার জন্য সেই দাবিগুলো মানা হয়নি। প্রকল্প হয়েছে কিন্তু টাকাও উঠেছে কিন্তু সংরক্ষণের কোনো কাজ এখন পর্যন্ত হয়নি। এই আয়োজন আরও বক্তব্য রাখেন, যুদ্ধ চলাকালীন কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা-জনতা জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: হারুন- অর- রশিদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এমদাদুল হক এমদাদ। বরিশাল সদরের বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গচন্দ্র দাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আসফিক খান রাজিব। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইয়াসিন সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোয়াবুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি এহতেশাম হক সাবিত সহ আরও অনেকে।  

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত