বিতর নামাজে তৃতীয় রাকাতে সুরা মিলানোর পর দোয়া কুনুত পড়ার আগে হাত উঠিয়ে তাকবির বলা একটি প্রচলিত নিয়ম। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, ভুলবশত বা অন্য কোনো কারণে হাত না উঠালে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে কি না।
ইসলামি শরিয়াহ ও আলেমদের মতে, বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের আগে হাত উঠিয়ে তাকবির বলা ওয়াজিব নয়, বরং এটি একটি সুন্নত আমল। যদি কেউ ভুলবশত বা না জানার কারণে হাত না উঠিয়েই সরাসরি দোয়া কুনুত পড়ে ফেলে, তবে তার নামাজ নষ্ট হবে না। এমনকি এর জন্য সাহু সিজদাও দিতে হবে না। তবে মনে রাখতে হবে, কোনো কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে সুন্নত বর্জন করা উচিত নয়।
হানাফি মাজহাব অনুযায়ী বিতর নামাজ তিন রাকাত। দুই রাকাত পড়ে প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ে সালাম না ফিরিয়ে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে হয়। এরপর সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলিয়ে তাকবির বলে দুহাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার বেঁধে দোয়া কুনুত পড়তে হয়।
اَللَّهُمَّ اِنَّ نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ-اَللَّهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
দোয়া কুনুত: আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতায়িনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা, ওয়ানু’মিনু বিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইর। ওয়া নাসকুরুকা ওয়ালা নাক ফুরুকা, ওয়ানাখলাউ ওয়ানাত রুকু মাইয়্যাফযুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকানা’বুদু ওয়ালাকা নুছল্লি, ওয়ানাস জুদু ওয়া ইলাইকা নাসয়া; ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা, ওয়া নাখশা আজাবাকা; ইন্না আজাবাকা বিলকুফফারি মুলহিক্।
উল্লেখ্য যে, বিতর শব্দের অর্থ হলো বেজোড়। নবী করিম (সা.) নিয়মিত এই নামাজ আদায় করতেন এবং একে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বিতর নামাজে তৃতীয় রাকাতে সুরা মিলানোর পর দোয়া কুনুত পড়ার আগে হাত উঠিয়ে তাকবির বলা একটি প্রচলিত নিয়ম। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, ভুলবশত বা অন্য কোনো কারণে হাত না উঠালে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে কি না।
ইসলামি শরিয়াহ ও আলেমদের মতে, বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের আগে হাত উঠিয়ে তাকবির বলা ওয়াজিব নয়, বরং এটি একটি সুন্নত আমল। যদি কেউ ভুলবশত বা না জানার কারণে হাত না উঠিয়েই সরাসরি দোয়া কুনুত পড়ে ফেলে, তবে তার নামাজ নষ্ট হবে না। এমনকি এর জন্য সাহু সিজদাও দিতে হবে না। তবে মনে রাখতে হবে, কোনো কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে সুন্নত বর্জন করা উচিত নয়।
হানাফি মাজহাব অনুযায়ী বিতর নামাজ তিন রাকাত। দুই রাকাত পড়ে প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদ পড়ে সালাম না ফিরিয়ে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে হয়। এরপর সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলিয়ে তাকবির বলে দুহাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে আবার বেঁধে দোয়া কুনুত পড়তে হয়।
اَللَّهُمَّ اِنَّ نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ-اَللَّهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
দোয়া কুনুত: আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতায়িনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা, ওয়ানু’মিনু বিকা ওয়া নাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনি আলাইকাল খাইর। ওয়া নাসকুরুকা ওয়ালা নাক ফুরুকা, ওয়ানাখলাউ ওয়ানাত রুকু মাইয়্যাফযুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকানা’বুদু ওয়ালাকা নুছল্লি, ওয়ানাস জুদু ওয়া ইলাইকা নাসয়া; ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা, ওয়া নাখশা আজাবাকা; ইন্না আজাবাকা বিলকুফফারি মুলহিক্।
উল্লেখ্য যে, বিতর শব্দের অর্থ হলো বেজোড়। নবী করিম (সা.) নিয়মিত এই নামাজ আদায় করতেন এবং একে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন