এশার নামাজের পর বিতরের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বিতর মূলত আরবি ‘আল-বিতরু’ শব্দ থেকে উদ্ভুত। এর শাব্দিক অর্থ বেজোড়। বিতর নামাজ যেহেতু বেজোড়, তাই তাকে বিতর বলা হয়।
এশার নামাজের পর বিতরের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। হানাফি মাজহাব অনুযায়ী বিতর নামাজ তিন রাকাত এবং তা এক সালামে দুই বৈঠকে আদায় করতে হয়।
তবে মক্কা ও মদিনার হারাম শরিফে ইমামগণ সাধারণত দুই রাকাতের পর সালাম ফিরিয়ে পরে আরও এক রাকাত আদায় করেন।
এই ভিন্ন পদ্ধতির কারণে হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে যে, সেখানে ইমামের পেছনে বিতর নামাজ হবে কি না।
এ বিষয়ে হানাফি মাজহাবের নির্ভরযোগ্য মত হলো, যদি ইমাম দুই রাকাতের পর সালাম ফিরিয়ে দেন, তবে হানাফি মুক্তাদির বিতর নামাজ সহিহ হবে না। এক্ষেত্রে উত্তম হলো—নিজের বাসায় বা মসজিদে এসে হানাফি পদ্ধতিতে আলাদাভাবে বিতর আদায় করে নেওয়া।
তবে বিশৃঙ্খলা এড়াতে কোনো কোনো মুফতি ভিন্ন এক পদ্ধতির অবকাশ দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে হানাফি মুক্তাদি 'ওয়াজিব বিতর' নয় বরং শুধু 'বিতর'-এর নিয়ত করবেন। ইমাম যখন দুই রাকাত পর সালাম ফেরাবেন, মুক্তাদি তখন সালাম না ফিরিয়ে চুপচাপ বসে থাকবেন।
এরপর ইমাম যখন তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবেন, তখন তার সাথে দাঁড়িয়ে নামাজ পূর্ণ করবেন। এই পদ্ধতিতে অনুসরণ করলে নামাজ সহিহ হয়ে যাবে বলে অনেক ফকিহ মত দিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
এশার নামাজের পর বিতরের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। বিতর মূলত আরবি ‘আল-বিতরু’ শব্দ থেকে উদ্ভুত। এর শাব্দিক অর্থ বেজোড়। বিতর নামাজ যেহেতু বেজোড়, তাই তাকে বিতর বলা হয়।
এশার নামাজের পর বিতরের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। হানাফি মাজহাব অনুযায়ী বিতর নামাজ তিন রাকাত এবং তা এক সালামে দুই বৈঠকে আদায় করতে হয়।
তবে মক্কা ও মদিনার হারাম শরিফে ইমামগণ সাধারণত দুই রাকাতের পর সালাম ফিরিয়ে পরে আরও এক রাকাত আদায় করেন।
এই ভিন্ন পদ্ধতির কারণে হানাফি মাজহাবের অনুসারীদের মনে প্রায়ই প্রশ্ন জাগে যে, সেখানে ইমামের পেছনে বিতর নামাজ হবে কি না।
এ বিষয়ে হানাফি মাজহাবের নির্ভরযোগ্য মত হলো, যদি ইমাম দুই রাকাতের পর সালাম ফিরিয়ে দেন, তবে হানাফি মুক্তাদির বিতর নামাজ সহিহ হবে না। এক্ষেত্রে উত্তম হলো—নিজের বাসায় বা মসজিদে এসে হানাফি পদ্ধতিতে আলাদাভাবে বিতর আদায় করে নেওয়া।
তবে বিশৃঙ্খলা এড়াতে কোনো কোনো মুফতি ভিন্ন এক পদ্ধতির অবকাশ দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে হানাফি মুক্তাদি 'ওয়াজিব বিতর' নয় বরং শুধু 'বিতর'-এর নিয়ত করবেন। ইমাম যখন দুই রাকাত পর সালাম ফেরাবেন, মুক্তাদি তখন সালাম না ফিরিয়ে চুপচাপ বসে থাকবেন।
এরপর ইমাম যখন তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াবেন, তখন তার সাথে দাঁড়িয়ে নামাজ পূর্ণ করবেন। এই পদ্ধতিতে অনুসরণ করলে নামাজ সহিহ হয়ে যাবে বলে অনেক ফকিহ মত দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন