নজরবিডি, ধর্ম ডেস্ক:
ইসলামে বিবাহ একটি পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ বন্ধন। ইসলামি শরিয়তে একজন পুরুষকে বিশেষ পরিস্থিতিতে এবং কঠোর শর্তসাপেক্ষে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও শর্তাবলি মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
‘তবে তোমরা নারীদের মধ্যে তোমাদের পছন্দমতো দুজন, তিনজন বা চারজনকে বিবাহ কর। আর যদি ভয় কর যে ন্যায্যভাবে আচরণ করতে পারবে না, তবে এক বিয়ে কর...।’
১. পূর্ণ সমতা ও ন্যায্যতা: সকল স্ত্রীর মধ্যে ভরণপোষণ, আবাসন এবং সময় দেওয়ার ক্ষেত্রে চুলচেরা সমতা বজায় রাখা প্রধান শর্ত। ২. আর্থিক সক্ষমতা: একাধিক পরিবারের ব্যয়ভার বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সংগতি থাকা আবশ্যক। ৩. শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা: স্ত্রীদের অধিকার আদায়ের শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য থাকতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে যে, যার দুই স্ত্রী আছে কিন্তু সে তাদের মধ্যে ইনসাফ বা সমতা রক্ষা করে না, কিয়ামতের দিন সে তার শরীরের একপাশ অবশ বা অবপাঞ্জিত অবস্থায় উপস্থিত হবে (সুনানে আবু দাউদ)।
দ্বিতীয় বিয়ে কেবল শখ বা লালসা পূরণের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি বিশাল আমানত ও দায়িত্ব। যদি সমতা রক্ষা সম্ভব না হয়, তবে ইসলামে একটি বিয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ধর্ম ডেস্ক:
ইসলামে বিবাহ একটি পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ বন্ধন। ইসলামি শরিয়তে একজন পুরুষকে বিশেষ পরিস্থিতিতে এবং কঠোর শর্তসাপেক্ষে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও শর্তাবলি মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
‘তবে তোমরা নারীদের মধ্যে তোমাদের পছন্দমতো দুজন, তিনজন বা চারজনকে বিবাহ কর। আর যদি ভয় কর যে ন্যায্যভাবে আচরণ করতে পারবে না, তবে এক বিয়ে কর...।’
১. পূর্ণ সমতা ও ন্যায্যতা: সকল স্ত্রীর মধ্যে ভরণপোষণ, আবাসন এবং সময় দেওয়ার ক্ষেত্রে চুলচেরা সমতা বজায় রাখা প্রধান শর্ত। ২. আর্থিক সক্ষমতা: একাধিক পরিবারের ব্যয়ভার বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সংগতি থাকা আবশ্যক। ৩. শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা: স্ত্রীদের অধিকার আদায়ের শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য থাকতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে যে, যার দুই স্ত্রী আছে কিন্তু সে তাদের মধ্যে ইনসাফ বা সমতা রক্ষা করে না, কিয়ামতের দিন সে তার শরীরের একপাশ অবশ বা অবপাঞ্জিত অবস্থায় উপস্থিত হবে (সুনানে আবু দাউদ)।
দ্বিতীয় বিয়ে কেবল শখ বা লালসা পূরণের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি বিশাল আমানত ও দায়িত্ব। যদি সমতা রক্ষা সম্ভব না হয়, তবে ইসলামে একটি বিয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন