নজর বিডি

ইসলামে প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের শর্তাবলি

ইসলামে প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের শর্তাবলি

নজরবিডি, ধর্ম ডেস্ক:

ইসলামে বিবাহ একটি পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ বন্ধন। ইসলামি শরিয়তে একজন পুরুষকে বিশেষ পরিস্থিতিতে এবং কঠোর শর্তসাপেক্ষে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও শর্তাবলি মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

সুরা আন-নিসার ৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন:

وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَىٰ فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا فَوَاحِدَةً أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ۚ ذَلِكَ أَدْنَىٰ أَلَّا تَعُولُوا

‘তবে তোমরা নারীদের মধ্যে তোমাদের পছন্দমতো দুজন, তিনজন বা চারজনকে বিবাহ কর। আর যদি ভয় কর যে ন্যায্যভাবে আচরণ করতে পারবে না, তবে এক বিয়ে কর...।’

১. পূর্ণ সমতা ও ন্যায্যতা: সকল স্ত্রীর মধ্যে ভরণপোষণ, আবাসন এবং সময় দেওয়ার ক্ষেত্রে চুলচেরা সমতা বজায় রাখা প্রধান শর্ত। ২. আর্থিক সক্ষমতা: একাধিক পরিবারের ব্যয়ভার বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সংগতি থাকা আবশ্যক। ৩. শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা: স্ত্রীদের অধিকার আদায়ের শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য থাকতে হবে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে যে, যার দুই স্ত্রী আছে কিন্তু সে তাদের মধ্যে ইনসাফ বা সমতা রক্ষা করে না, কিয়ামতের দিন সে তার শরীরের একপাশ অবশ বা অবপাঞ্জিত অবস্থায় উপস্থিত হবে (সুনানে আবু দাউদ)।

দ্বিতীয় বিয়ে কেবল শখ বা লালসা পূরণের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি বিশাল আমানত ও দায়িত্ব। যদি সমতা রক্ষা সম্ভব না হয়, তবে ইসলামে একটি বিয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ইসলামে প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের শর্তাবলি

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নজরবিডি, ধর্ম ডেস্ক:

ইসলামে বিবাহ একটি পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ বন্ধন। ইসলামি শরিয়তে একজন পুরুষকে বিশেষ পরিস্থিতিতে এবং কঠোর শর্তসাপেক্ষে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা ও শর্তাবলি মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

সুরা আন-নিসার ৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন:

وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَىٰ فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا فَوَاحِدَةً أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ ۚ ذَلِكَ أَدْنَىٰ أَلَّا تَعُولُوا

‘তবে তোমরা নারীদের মধ্যে তোমাদের পছন্দমতো দুজন, তিনজন বা চারজনকে বিবাহ কর। আর যদি ভয় কর যে ন্যায্যভাবে আচরণ করতে পারবে না, তবে এক বিয়ে কর...।’

১. পূর্ণ সমতা ও ন্যায্যতা: সকল স্ত্রীর মধ্যে ভরণপোষণ, আবাসন এবং সময় দেওয়ার ক্ষেত্রে চুলচেরা সমতা বজায় রাখা প্রধান শর্ত। ২. আর্থিক সক্ষমতা: একাধিক পরিবারের ব্যয়ভার বহনের মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সংগতি থাকা আবশ্যক। ৩. শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা: স্ত্রীদের অধিকার আদায়ের শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য থাকতে হবে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে যে, যার দুই স্ত্রী আছে কিন্তু সে তাদের মধ্যে ইনসাফ বা সমতা রক্ষা করে না, কিয়ামতের দিন সে তার শরীরের একপাশ অবশ বা অবপাঞ্জিত অবস্থায় উপস্থিত হবে (সুনানে আবু দাউদ)।

দ্বিতীয় বিয়ে কেবল শখ বা লালসা পূরণের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি বিশাল আমানত ও দায়িত্ব। যদি সমতা রক্ষা সম্ভব না হয়, তবে ইসলামে একটি বিয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত