রমজানের শেষ দশকের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত ইতিকাফ মসজিদে পালন করার নিয়ম। পুরুষদের মসজিদে ইতিকাফ করা আবশ্যক। রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফের বিধান হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া।
রমজানের শেষ দশকের অতি গুরুত্বপূর্ণ ও সওয়াবসমৃদ্ধ ইবাদত হলো ইতিকাফ। ইতিকাফ অবস্থায় একজন মুমিন দুনিয়াদারির সব সম্পর্ক ছিন্ন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মসজিদে অবস্থান করেন। ইতিকাফের সময় ইতিকাফকারী মসজিদের সীমানার বাইরে যেতে পারেন না, গেলে ইতিকাফ ভেঙে যায়। তবে মসজিদের ছাদে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইসলামের সুনির্দিষ্ট কিছু বিধান রয়েছে।
ইসলামি ফিকহ শাস্ত্র অনুযায়ী, ইতিকাফকারী মসজিদের ছাদে যেতে পারবেন, তবে এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। শর্তটি হলো— ছাদে যাওয়ার সিঁড়িটি অবশ্যই মসজিদের সীমানার ভেতরে হতে হবে। যদি ছাদে ওঠার সিঁড়িটি মসজিদের ভেতরে থাকে, তবে ইতিকাফকারী প্রয়োজনে ছাদে যেতে পারবেন। কিন্তু সিঁড়িটি যদি মসজিদের মূল সীমানার বাইরে (যেমন রাস্তার পাশে বা বারান্দার বাইরে) হয়, তবে সেই সিঁড়ি দিয়ে ছাদে উঠলে ইতিকাফ ভেঙে যাবে। কারণ এতে মসজিদের সীমানা ত্যাগ করা হয়।
পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার ১২৫ নম্বর আয়াতে ইতিকাফকারীদের জন্য ঘর পবিত্র রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় হিজরতের পর জীবনের শেষ পর্যন্ত কখনো রমজানের শেষ ১০ দিনের ইতিকাফ ত্যাগ করেননি। হাদিস শরিফে এসেছে "যে ব্যক্তি রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করবে, তাকে দুটি হজ ও দুটি ওমরা পালন করার সওয়াব দান করা হবে।" (শুয়াবুল ঈমান, হাদিস: ৩৬৮০)
ইতিকাফ অবস্থায় সার্বক্ষণিক ইবাদতে মশগুল থাকা এবং অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। হাঁটাচলা বা ছাদে যাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মসজিদের সীমানার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে যাতে কোনোভাবেই ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটে বা ইতিকাফ নষ্ট না হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
রমজানের শেষ দশকের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত ইতিকাফ মসজিদে পালন করার নিয়ম। পুরুষদের মসজিদে ইতিকাফ করা আবশ্যক। রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফের বিধান হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া।
রমজানের শেষ দশকের অতি গুরুত্বপূর্ণ ও সওয়াবসমৃদ্ধ ইবাদত হলো ইতিকাফ। ইতিকাফ অবস্থায় একজন মুমিন দুনিয়াদারির সব সম্পর্ক ছিন্ন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মসজিদে অবস্থান করেন। ইতিকাফের সময় ইতিকাফকারী মসজিদের সীমানার বাইরে যেতে পারেন না, গেলে ইতিকাফ ভেঙে যায়। তবে মসজিদের ছাদে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইসলামের সুনির্দিষ্ট কিছু বিধান রয়েছে।
ইসলামি ফিকহ শাস্ত্র অনুযায়ী, ইতিকাফকারী মসজিদের ছাদে যেতে পারবেন, তবে এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। শর্তটি হলো— ছাদে যাওয়ার সিঁড়িটি অবশ্যই মসজিদের সীমানার ভেতরে হতে হবে। যদি ছাদে ওঠার সিঁড়িটি মসজিদের ভেতরে থাকে, তবে ইতিকাফকারী প্রয়োজনে ছাদে যেতে পারবেন। কিন্তু সিঁড়িটি যদি মসজিদের মূল সীমানার বাইরে (যেমন রাস্তার পাশে বা বারান্দার বাইরে) হয়, তবে সেই সিঁড়ি দিয়ে ছাদে উঠলে ইতিকাফ ভেঙে যাবে। কারণ এতে মসজিদের সীমানা ত্যাগ করা হয়।
পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার ১২৫ নম্বর আয়াতে ইতিকাফকারীদের জন্য ঘর পবিত্র রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় হিজরতের পর জীবনের শেষ পর্যন্ত কখনো রমজানের শেষ ১০ দিনের ইতিকাফ ত্যাগ করেননি। হাদিস শরিফে এসেছে "যে ব্যক্তি রমজান মাসের শেষ দশদিন ইতিকাফ করবে, তাকে দুটি হজ ও দুটি ওমরা পালন করার সওয়াব দান করা হবে।" (শুয়াবুল ঈমান, হাদিস: ৩৬৮০)
ইতিকাফ অবস্থায় সার্বক্ষণিক ইবাদতে মশগুল থাকা এবং অনর্থক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। হাঁটাচলা বা ছাদে যাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মসজিদের সীমানার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে যাতে কোনোভাবেই ইবাদতে বিঘ্ন না ঘটে বা ইতিকাফ নষ্ট না হয়।

আপনার মতামত লিখুন