ইতিকাফকারীর জন্য মসজিদের ভেতর সিগারেট, বিড়ি কিংবা হুক্কা পান করা জায়েজ নেই। ইসলামী চিন্তাবিদদের দৃষ্টিতে এটি একটি নিন্দনীয় কাজ। ইতিকাফ একটি বিশেষ ইবাদতের মুহূর্ত।
ইতিকাফ একটি বিশেষ ইবাদত, যার মূল লক্ষ্য হলো পার্থিব সব ব্যস্ততা ত্যাগ করে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা। এই পবিত্র সময়ে ইতিকাফকারীর জন্য মসজিদের ভেতর ধূমপান করা কেবল অনুচিতই নয়, বরং এটি একটি নিন্দনীয় কাজ হিসেবে গণ্য।
রাসূলুল্লাহ (সা.) দুর্গন্ধযুক্ত কোনো কিছু খেয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেছেন। হাদিসে এসেছে, হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, "যে ব্যক্তি রসুন খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে যতক্ষণ না তার মুখ থেকে দুর্গন্ধ চলে যায়।" (সহিহ মুসলিম)। যেহেতু সিগারেটের তীব্র গন্ধে ফেরেশতা ও অন্য ইবাদতকারীদের কষ্ট হয়, তাই মসজিদের ভেতরে এটি পান করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, ধূমপান মানুষের জীবন ও সম্পদ—উভয়টিরই ক্ষতি করে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, "তোমরা নিজের হাতে নিজেকে ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করো না।" (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)। জেনে-শুনে নিজের শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতি করা গুনাহের কাজ, তাই অধিকাংশ আলেম ধূমপানকে মাকরুহ বা নাজায়েজ বলে থাকেন।
ইতিকাফ হলো নিজেকে রবের কাছে সঁপে দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। এমন মহিমান্বিত মুহূর্তে ধূমপানের মতো অনর্থক কাজে লিপ্ত না হয়ে তওবা, জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করাই প্রকৃত মুমিনের কাজ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
ইতিকাফকারীর জন্য মসজিদের ভেতর সিগারেট, বিড়ি কিংবা হুক্কা পান করা জায়েজ নেই। ইসলামী চিন্তাবিদদের দৃষ্টিতে এটি একটি নিন্দনীয় কাজ। ইতিকাফ একটি বিশেষ ইবাদতের মুহূর্ত।
ইতিকাফ একটি বিশেষ ইবাদত, যার মূল লক্ষ্য হলো পার্থিব সব ব্যস্ততা ত্যাগ করে মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করা। এই পবিত্র সময়ে ইতিকাফকারীর জন্য মসজিদের ভেতর ধূমপান করা কেবল অনুচিতই নয়, বরং এটি একটি নিন্দনীয় কাজ হিসেবে গণ্য।
রাসূলুল্লাহ (সা.) দুর্গন্ধযুক্ত কোনো কিছু খেয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেছেন। হাদিসে এসেছে, হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, "যে ব্যক্তি রসুন খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে যতক্ষণ না তার মুখ থেকে দুর্গন্ধ চলে যায়।" (সহিহ মুসলিম)। যেহেতু সিগারেটের তীব্র গন্ধে ফেরেশতা ও অন্য ইবাদতকারীদের কষ্ট হয়, তাই মসজিদের ভেতরে এটি পান করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।
ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, ধূমপান মানুষের জীবন ও সম্পদ—উভয়টিরই ক্ষতি করে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, "তোমরা নিজের হাতে নিজেকে ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করো না।" (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)। জেনে-শুনে নিজের শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতি করা গুনাহের কাজ, তাই অধিকাংশ আলেম ধূমপানকে মাকরুহ বা নাজায়েজ বলে থাকেন।
ইতিকাফ হলো নিজেকে রবের কাছে সঁপে দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। এমন মহিমান্বিত মুহূর্তে ধূমপানের মতো অনর্থক কাজে লিপ্ত না হয়ে তওবা, জিকির ও কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সময় অতিবাহিত করাই প্রকৃত মুমিনের কাজ।

আপনার মতামত লিখুন