ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববিকে ঘিরে বিনোদনপাড়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যবসায়ীকে ববির ‘কথিত স্বামী’ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর এই সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি নিয়ে এতদিন চুপ থাকলেও এবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ খুলেছেন এই অভিনেত্রী।
গতকাল সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ববি বলেন, “কথিত স্বামী বলা হচ্ছে, এটা টোটালি ফেক (সম্পূর্ণ মিথ্যা)। শুরুতে এসব আমার গায়ে লাগেনি। কারণ, আমি জানি, অনেক সময় না জেনেই নানা ধরনের কথা ছড়ানো হয়।
কিন্তু আমার পরিবার তো আর এসব বোঝে না। তারা দেশের বাইরে থাকে। তারা যখন এসব খবর দেখে, তখন খুব কষ্ট পায়।”
কিছু গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ববি আরও বলেন, “সংবাদে যা আসে, সবকিছু যে সত্য নয়, সেটা সবাই বুঝতে পারে না। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা।
কিন্তু কিছু মানুষ এই পেশার নৈতিকতা ভুলে যাচ্ছেন। যাচাই ছাড়া খবর প্রকাশ করলে একজন মানুষের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে কী প্রভাব পড়তে পারে, সেটা ভাবা উচিত।”
মিথ্যা খবরের বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই চিত্রনায়িকা বলেন, “সে আমার স্বামী—এটা কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে, তাহলে সে যা চাইবে, তাই দেব। কারণ, এমন কোনো সম্পর্ক কখনো ছিল না। এই দাবির পক্ষে কারও কাছে কোনো প্রমাণও নেই।”
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি পরিষ্কার করে তিনি বলেন, “ওই কোম্পানির সঙ্গে আমার কোনো অফিশিয়াল সম্পর্ক নেই। যতটুকু ছিল, সেটা শুধুই কাজের সম্পর্ক। কোনো অনুষ্ঠানে বা অফিসে গেলে শিল্পী হিসেবে সম্মান জানিয়ে ছবি তোলে, বসার ব্যবস্থা করে।
সেই ছবিগুলো ব্যবহার করে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন আমাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
অসত্য সংবাদের কারণে পারিবারিক সংকটের কথা উল্লেখ করে ববি বলেন, “আমার মা এসব দেখে অসুস্থ হয়ে গেছেন। তাকে বারবার বোঝাতে হচ্ছে যে এগুলো ভুয়া খবর। একজন সন্তানের জন্য এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে? পরিবার যখন অকারণে কষ্ট পায়, তখন বিষয়টি আর হালকাভাবে নেওয়া যায় না।
আমার প্রশ্ন হলো—বন্ধু বলা হয়নি, পরিচিত বলা হয়নি, সরাসরি স্বামী বলা হলো কেন? কার স্বার্থে এসব করা হচ্ছে? ব্যক্তিজীবন নিয়ে আমাকে ঘিরে তেমন কোনো বিতর্ক নেই। তাই হয়তো আলোচনায় আসার জন্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আমার নাম ব্যবহার করা হয়েছে।”

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববিকে ঘিরে বিনোদনপাড়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যবসায়ীকে ববির ‘কথিত স্বামী’ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর এই সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বিষয়টি নিয়ে এতদিন চুপ থাকলেও এবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মুখ খুলেছেন এই অভিনেত্রী।
গতকাল সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ববি বলেন, “কথিত স্বামী বলা হচ্ছে, এটা টোটালি ফেক (সম্পূর্ণ মিথ্যা)। শুরুতে এসব আমার গায়ে লাগেনি। কারণ, আমি জানি, অনেক সময় না জেনেই নানা ধরনের কথা ছড়ানো হয়।
কিন্তু আমার পরিবার তো আর এসব বোঝে না। তারা দেশের বাইরে থাকে। তারা যখন এসব খবর দেখে, তখন খুব কষ্ট পায়।”
কিছু গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ববি আরও বলেন, “সংবাদে যা আসে, সবকিছু যে সত্য নয়, সেটা সবাই বুঝতে পারে না। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা।
কিন্তু কিছু মানুষ এই পেশার নৈতিকতা ভুলে যাচ্ছেন। যাচাই ছাড়া খবর প্রকাশ করলে একজন মানুষের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে কী প্রভাব পড়তে পারে, সেটা ভাবা উচিত।”
মিথ্যা খবরের বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই চিত্রনায়িকা বলেন, “সে আমার স্বামী—এটা কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে, তাহলে সে যা চাইবে, তাই দেব। কারণ, এমন কোনো সম্পর্ক কখনো ছিল না। এই দাবির পক্ষে কারও কাছে কোনো প্রমাণও নেই।”
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি পরিষ্কার করে তিনি বলেন, “ওই কোম্পানির সঙ্গে আমার কোনো অফিশিয়াল সম্পর্ক নেই। যতটুকু ছিল, সেটা শুধুই কাজের সম্পর্ক। কোনো অনুষ্ঠানে বা অফিসে গেলে শিল্পী হিসেবে সম্মান জানিয়ে ছবি তোলে, বসার ব্যবস্থা করে।
সেই ছবিগুলো ব্যবহার করে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন আমাদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
অসত্য সংবাদের কারণে পারিবারিক সংকটের কথা উল্লেখ করে ববি বলেন, “আমার মা এসব দেখে অসুস্থ হয়ে গেছেন। তাকে বারবার বোঝাতে হচ্ছে যে এগুলো ভুয়া খবর। একজন সন্তানের জন্য এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে? পরিবার যখন অকারণে কষ্ট পায়, তখন বিষয়টি আর হালকাভাবে নেওয়া যায় না।
আমার প্রশ্ন হলো—বন্ধু বলা হয়নি, পরিচিত বলা হয়নি, সরাসরি স্বামী বলা হলো কেন? কার স্বার্থে এসব করা হচ্ছে? ব্যক্তিজীবন নিয়ে আমাকে ঘিরে তেমন কোনো বিতর্ক নেই। তাই হয়তো আলোচনায় আসার জন্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আমার নাম ব্যবহার করা হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন