“করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৬। ফল উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসারে জেলা প্রশাসন, গোপালগঞ্জ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, গোপালগঞ্জের উপপরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং ফলভিত্তিক কৃষি সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় ফল মেলা একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত বিভিন্ন ফল ও কৃষিপণ্যভিত্তিক স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা প্রদর্শিত বিভিন্ন দেশীয় ও উন্নত জাতের ফল, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং কৃষি উদ্ভাবন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আয়োজকরা জানান, জাতীয় ফল মেলা কেবল ফলের প্রদর্শনী নয়; এটি কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে কৃষক ও উদ্যোক্তারা যেমন নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, তেমনি সাধারণ মানুষও নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হবেন।
ফল উৎপাদন ও সংরক্ষণে জনগণকে আরও উৎসাহিত করা এবং কৃষিকে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয়ে আয়োজিত এ মেলা সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ফল হবে পুষ্টির প্রধান উৎস আর কৃষি হবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তি—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
“করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৬। ফল উৎপাদন বৃদ্ধি, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসারে জেলা প্রশাসন, গোপালগঞ্জ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গোপালগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, গোপালগঞ্জের উপপরিচালক ড. মো. মামুনুর রহমান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এবং ফলভিত্তিক কৃষি সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে জাতীয় ফল মেলা একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ মেলা প্রাঙ্গণে স্থাপিত বিভিন্ন ফল ও কৃষিপণ্যভিত্তিক স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা প্রদর্শিত বিভিন্ন দেশীয় ও উন্নত জাতের ফল, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং কৃষি উদ্ভাবন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আয়োজকরা জানান, জাতীয় ফল মেলা কেবল ফলের প্রদর্শনী নয়; এটি কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে কৃষক ও উদ্যোক্তারা যেমন নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, তেমনি সাধারণ মানুষও নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতন হবেন।
ফল উৎপাদন ও সংরক্ষণে জনগণকে আরও উৎসাহিত করা এবং কৃষিকে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয়ে আয়োজিত এ মেলা সফল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ফল হবে পুষ্টির প্রধান উৎস আর কৃষি হবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তি—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নেই জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন