নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ লক্ষ্যে তিনি একটি ‘সংসদীয় বিশেষ টাস্কফোর্স’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ আহ্বান জানান।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়াতে সরকার, বিচার বিভাগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রকে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, শুধু অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; ভুক্তভোগীর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দীর্ঘমেয়াদি মানসিক আঘাত ও সামাজিক বঞ্চনা থেকে মুক্তি দিতে আইনি সহায়তার পাশাপাশি কাউন্সেলিং, চিকিৎসাসেবা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “যারা গুম-খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের প্রত্যেকের প্রকাশ্যে বিচার হওয়া উচিত। বর্তমান সরকার গুমের বিচারের লড়াইয়ে ভুক্তভোগীদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। গুমের তদন্ত অব্যাহত রাখতে সরকার বাজেট বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান, মীর আহমাদ বিন কাসেম, আমিনুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল আমিন, তাহসিনা রুশদীর ও সানজিদা ইসলাম তুলি। এছাড়া ‘মায়ের ডাক’-এর নেতৃবৃন্দ, ইউএনডিপির প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। আয়োজনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণ কাঠামো প্রণয়ন, পুনর্বাসন তহবিল গঠন এবং ভুক্তভোগীবান্ধব বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ লক্ষ্যে তিনি একটি ‘সংসদীয় বিশেষ টাস্কফোর্স’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এ আহ্বান জানান।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, “মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়াতে সরকার, বিচার বিভাগ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রকে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, শুধু অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; ভুক্তভোগীর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দীর্ঘমেয়াদি মানসিক আঘাত ও সামাজিক বঞ্চনা থেকে মুক্তি দিতে আইনি সহায়তার পাশাপাশি কাউন্সেলিং, চিকিৎসাসেবা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “যারা গুম-খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের প্রত্যেকের প্রকাশ্যে বিচার হওয়া উচিত। বর্তমান সরকার গুমের বিচারের লড়াইয়ে ভুক্তভোগীদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। গুমের তদন্ত অব্যাহত রাখতে সরকার বাজেট বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান, মীর আহমাদ বিন কাসেম, আমিনুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল আমিন, তাহসিনা রুশদীর ও সানজিদা ইসলাম তুলি। এছাড়া ‘মায়ের ডাক’-এর নেতৃবৃন্দ, ইউএনডিপির প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। আয়োজনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ক্ষতিপূরণ কাঠামো প্রণয়ন, পুনর্বাসন তহবিল গঠন এবং ভুক্তভোগীবান্ধব বিচারপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন