সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মারকাব এলাকা থেকে রত্না নামে এক বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় আতিকুর রহমান সুমন নামে এক প্রবাসীর বাসার ডিপ ফ্রিজের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রত্নার বাড়ি ঢাকায়। জানা গেছে, তিনি প্রায় দুই মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তার কোনো খোঁজ না মেলায় উদ্বিগ্ন ছিল পরিবার।
রত্নার খালা জানান, সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী একমাত্র কন্যাসন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগানোর স্বপ্ন নিয়ে রত্না সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হলো। রত্নার বাবা-মা কেউ নেই, একমাত্র খালাই তার অভিভাবক হিসেবে ছিলেন। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে যে মা প্রবাসে গিয়েছিলেন, তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঠিক কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
এই নৃশংস ঘটনায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রবাসীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের মারকাব এলাকা থেকে রত্না নামে এক বাংলাদেশি নারী গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ।
শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় আতিকুর রহমান সুমন নামে এক প্রবাসীর বাসার ডিপ ফ্রিজের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রত্নার বাড়ি ঢাকায়। জানা গেছে, তিনি প্রায় দুই মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তার কোনো খোঁজ না মেলায় উদ্বিগ্ন ছিল পরিবার।
রত্নার খালা জানান, সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী একমাত্র কন্যাসন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগানোর স্বপ্ন নিয়ে রত্না সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হলো। রত্নার বাবা-মা কেউ নেই, একমাত্র খালাই তার অভিভাবক হিসেবে ছিলেন। সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে যে মা প্রবাসে গিয়েছিলেন, তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, মরদেহটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঠিক কীভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
এই নৃশংস ঘটনায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। প্রবাসীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন