কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তার সৎবাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ শিশুটির মায়ের জরুরি ফোনকলের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, এদিন সকালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার সিদলাই (৫ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকা থেকে এক মা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তার ৯ বছর বয়সী মেয়েকে সৎবাবা ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি ব্রাহ্মণপাড়া থানাকে জানানো হয়। ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল নাদিম কলটি গ্রহণ করেন এবং কল দেওয়া ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন পুলিশ ডিসপাচার এএসআই মাসুম বিল্লাহ।
সংবাদ পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত মো. জলিলকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী শিশুর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই নিউজটি আপনি ঠিক কোন ফরম্যাটে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন—ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য ছোট কোনো ফটোকার্ড বা স্ক্রলিং টেক্সট তৈরি করতে হবে, নাকি অনলাইন পোর্টালের জন্য আরও কোনো তথ্য যুক্ত করতে হবে?
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তার সৎবাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ শিশুটির মায়ের জরুরি ফোনকলের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, এদিন সকালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার সিদলাই (৫ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকা থেকে এক মা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তার ৯ বছর বয়সী মেয়েকে সৎবাবা ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন।
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি ব্রাহ্মণপাড়া থানাকে জানানো হয়। ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল নাদিম কলটি গ্রহণ করেন এবং কল দেওয়া ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন পুলিশ ডিসপাচার এএসআই মাসুম বিল্লাহ।
সংবাদ পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত মো. জলিলকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী শিশুর মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই নিউজটি আপনি ঠিক কোন ফরম্যাটে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন—ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য ছোট কোনো ফটোকার্ড বা স্ক্রলিং টেক্সট তৈরি করতে হবে, নাকি অনলাইন পোর্টালের জন্য আরও কোনো তথ্য যুক্ত করতে হবে?

আপনার মতামত লিখুন