বিবাহ বিচ্ছেদের পরও সাবেক স্বামীদের যোগসাজশে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ তুলেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের এক কলেজ শিক্ষিকা। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন পুরাতন ঠাকুরগাঁও টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষিকা নারগিস খাতুন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বলেন, “আমি ভাবতেই পারছি না মানুষ কতটা পরিকল্পিতভাবে কারো ক্ষতি করতে পারে। আমার আরেক সাবেক স্বামী হুমায়ুন কবির পরিকল্পিতভাবে বাদশা ফয়সালকে ঠিক করেছিল আমাকে বিয়ে করার জন্য। উদ্দেশ্য ছিল—আমাকে নিয়ে নানা নোংরা অভিযোগ দাঁড় করানো। বাদশা ফয়সাল আমাকে শারীরিক নির্যাতন করার সময় বুক ফুলিয়ে এসব কথা স্বীকারও করেছিল। এসব জানার পর আমি বেঁচে থাকার শক্তি হারিয়ে ফেলেছি।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের মানুষরূপী কীটদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত। নাহলে সাধারণ ও অসহায় নারীরা তাদের অপকর্মের শিকার হতে থাকবে।”
উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই এই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিয়ের তথ্য গোপন, বহু বিবাহ, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণাসহ নানা অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন তার সাবেক স্বামী হুমায়ুন কবির। আজকের সংবাদ সম্মেলনে নারগিস খাতুন ওই সকল অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভুল, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
বিবাহ বিচ্ছেদের পরও সাবেক স্বামীদের যোগসাজশে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ তুলেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের এক কলেজ শিক্ষিকা। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন পুরাতন ঠাকুরগাঁও টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষিকা নারগিস খাতুন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বলেন, “আমি ভাবতেই পারছি না মানুষ কতটা পরিকল্পিতভাবে কারো ক্ষতি করতে পারে। আমার আরেক সাবেক স্বামী হুমায়ুন কবির পরিকল্পিতভাবে বাদশা ফয়সালকে ঠিক করেছিল আমাকে বিয়ে করার জন্য। উদ্দেশ্য ছিল—আমাকে নিয়ে নানা নোংরা অভিযোগ দাঁড় করানো। বাদশা ফয়সাল আমাকে শারীরিক নির্যাতন করার সময় বুক ফুলিয়ে এসব কথা স্বীকারও করেছিল। এসব জানার পর আমি বেঁচে থাকার শক্তি হারিয়ে ফেলেছি।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের মানুষরূপী কীটদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত। নাহলে সাধারণ ও অসহায় নারীরা তাদের অপকর্মের শিকার হতে থাকবে।”
উল্লেখ্য, গত ৮ জুলাই এই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিয়ের তথ্য গোপন, বহু বিবাহ, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণাসহ নানা অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন তার সাবেক স্বামী হুমায়ুন কবির। আজকের সংবাদ সম্মেলনে নারগিস খাতুন ওই সকল অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভুল, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন