মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য, কলামিস্ট, কবি ও সাংবাদিক আমিরুজ্জামান ফারুক আর নেই। আজ দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)
তাঁর মৃত্যুতে মুকসুদপুরের সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
আমিরুজ্জামান ফারুক সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। কলাম লেখা, কবিতা ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি সমাজের নানা অসংগতি, মানুষের কথা এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। পেশাগত জীবনে তাঁর নিষ্ঠা, সততা, সাহসী লেখনী ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁকে সহকর্মী ও পাঠকদের কাছে একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
তাঁর মৃত্যুতে মুকসুদপুরের সাংবাদিক সমাজ একজন অভিজ্ঞ, সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও সাহসী কলমসৈনিককে হারাল। সাংবাদিকতা ও লেখালেখিতে তাঁর অবদান সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া এক শোকবার্তায় আমিরুজ্জামান ফারুকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
শোকবার্তায় মো. ছিরু মিয়া বলেন, আমিরুজ্জামান ফারুক ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক, কলামিস্ট ও কবি। তাঁর মৃত্যুতে মুকসুদপুরের সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর কর্ম ও অবদান সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এ ছাড়া মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিকও তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মরহুম আমিরুজ্জামান ফারুকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য, কলামিস্ট, কবি ও সাংবাদিক আমিরুজ্জামান ফারুক আর নেই। আজ দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)
তাঁর মৃত্যুতে মুকসুদপুরের সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।
আমিরুজ্জামান ফারুক সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। কলাম লেখা, কবিতা ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে তিনি সমাজের নানা অসংগতি, মানুষের কথা এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেছেন। পেশাগত জীবনে তাঁর নিষ্ঠা, সততা, সাহসী লেখনী ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁকে সহকর্মী ও পাঠকদের কাছে একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
তাঁর মৃত্যুতে মুকসুদপুরের সাংবাদিক সমাজ একজন অভিজ্ঞ, সৎ, নিবেদিতপ্রাণ ও সাহসী কলমসৈনিককে হারাল। সাংবাদিকতা ও লেখালেখিতে তাঁর অবদান সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া এক শোকবার্তায় আমিরুজ্জামান ফারুকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
শোকবার্তায় মো. ছিরু মিয়া বলেন, আমিরুজ্জামান ফারুক ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সাংবাদিক, কলামিস্ট ও কবি। তাঁর মৃত্যুতে মুকসুদপুরের সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর কর্ম ও অবদান সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এ ছাড়া মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিকও তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।
মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মরহুম আমিরুজ্জামান ফারুকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন