রসুন দীর্ঘদিন ধরে রান্নার পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে হৃদযন্ত্রের সুস্থতা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। তবে রসুন সত্যিই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে কি না, তা নিয়ে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ নামক প্রাকৃতিক যৌগ, যা কাঁচা রসুন থেঁতো বা কুচি করলে উৎপন্ন হয়, তাতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহ-বিরোধী গুণাবলি। এসব উপাদান শরীরের কোলেস্টেরল উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কিছুটা প্রভাব ফেলে এবং মোট কোলেস্টেরল ও ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল (LDL) সামান্য কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এই কমার পরিমাণ খুবই সীমিত।
২৪ সালে প্রকাশিত ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউট্রিশন সাময়িকীর এক পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়, কোলেস্টেরলের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পেতে টানা দুই মাস প্রতিদিন অন্তত ১০ গ্রাম রসুন খাওয়া যেতে পারে। তবুও চিকিৎসকদের বক্তব্য স্পষ্ট—উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র রসুন খেয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব নয়। এটি নির্ধারিত ওষুধের বিকল্প হতে পারে না।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, দৈনিক রান্নায় এক-দুটি রসুনের কোয়া যুক্ত করা একটি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রসুনের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর ওজন এবং পরিমিত খাদ্যতালিকা মেনে চলা জরুরি।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
রসুন দীর্ঘদিন ধরে রান্নার পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে হৃদযন্ত্রের সুস্থতা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। তবে রসুন সত্যিই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে কি না, তা নিয়ে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ নামক প্রাকৃতিক যৌগ, যা কাঁচা রসুন থেঁতো বা কুচি করলে উৎপন্ন হয়, তাতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহ-বিরোধী গুণাবলি। এসব উপাদান শরীরের কোলেস্টেরল উৎপাদন প্রক্রিয়ায় কিছুটা প্রভাব ফেলে এবং মোট কোলেস্টেরল ও ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল (LDL) সামান্য কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এই কমার পরিমাণ খুবই সীমিত।
২৪ সালে প্রকাশিত ফ্রন্টিয়ার্স ইন নিউট্রিশন সাময়িকীর এক পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়, কোলেস্টেরলের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পেতে টানা দুই মাস প্রতিদিন অন্তত ১০ গ্রাম রসুন খাওয়া যেতে পারে। তবুও চিকিৎসকদের বক্তব্য স্পষ্ট—উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র রসুন খেয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় নামিয়ে আনা সম্ভব নয়। এটি নির্ধারিত ওষুধের বিকল্প হতে পারে না।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, দৈনিক রান্নায় এক-দুটি রসুনের কোয়া যুক্ত করা একটি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রসুনের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর ওজন এবং পরিমিত খাদ্যতালিকা মেনে চলা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন