হলিউড পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন সিনেমা 'দ্য ওডিসি'র প্রচারণায় প্রায় ৩ হাজার বছরের পুরোনো ইরানি গহনা পরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী জেনডায়া।
প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইতিহাসবিদ ও প্রত্নতাত্ত্বিকরা।
গ্রিক মহাকাব্যভিত্তিক ‘দ্য ওডিসি’ সিনেমায় দেবী এথেনার চরিত্রে অভিনয় করছেন জেনডায়া। সম্প্রতি লন্ডনে সিনেমাটির ফটোসেশনে খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০ অব্দের প্রাচীন ইরানি নিদর্শন 'জিউইয়ে' গুপ্তধনের অংশ থেকে তৈরি একজোড়া দুল পরে হাজির হন তিনি। ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে উত্তর-পশ্চিম ইরানে আবিষ্কৃত ও পরবর্তীতে লুট হওয়া এসব মহামূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বাণিজ্যিক ব্যবহারকে ইরানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবমাননা বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
কোর্টোল্ড ইনস্টিটিউটের শিল্পকলা ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সুসান বাবাই এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ড. অ্যানেলিস বেয়ার এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান, লুট হওয়া ঐতিহাসিক এসব নিদর্শনের আধ্যাত্মিক ও মানবিক গুরুত্ব রয়েছে এবং রেড কার্পেটে এগুলোকে সাধারণ ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে প্রদর্শন করা একেবারেই অনুচিত।
তবে গহনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘ব্যারন’ গ্যালারি দাবি করেছে, তারা আইনি প্রক্রিয়া মেনেই দুলগুলো সংরক্ষণ করেছে এবং প্রাচীন পারস্যের স্বর্ণকারদের অসামান্য শৈল্পিকতাকে উদ্যাপন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
শুধু গহনা বিতর্কই নয়, মরক্কোর বিতর্কিত এলাকায় শুটিং করা নিয়েও বর্তমানে নোলানের 'দ্য ওডিসি' সিনেমাটি বয়কটের দাবি উঠেছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
হলিউড পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন সিনেমা 'দ্য ওডিসি'র প্রচারণায় প্রায় ৩ হাজার বছরের পুরোনো ইরানি গহনা পরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী জেনডায়া।
প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইতিহাসবিদ ও প্রত্নতাত্ত্বিকরা।
গ্রিক মহাকাব্যভিত্তিক ‘দ্য ওডিসি’ সিনেমায় দেবী এথেনার চরিত্রে অভিনয় করছেন জেনডায়া। সম্প্রতি লন্ডনে সিনেমাটির ফটোসেশনে খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০ অব্দের প্রাচীন ইরানি নিদর্শন 'জিউইয়ে' গুপ্তধনের অংশ থেকে তৈরি একজোড়া দুল পরে হাজির হন তিনি। ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে উত্তর-পশ্চিম ইরানে আবিষ্কৃত ও পরবর্তীতে লুট হওয়া এসব মহামূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের বাণিজ্যিক ব্যবহারকে ইরানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবমাননা বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
কোর্টোল্ড ইনস্টিটিউটের শিল্পকলা ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সুসান বাবাই এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ড. অ্যানেলিস বেয়ার এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানান, লুট হওয়া ঐতিহাসিক এসব নিদর্শনের আধ্যাত্মিক ও মানবিক গুরুত্ব রয়েছে এবং রেড কার্পেটে এগুলোকে সাধারণ ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে প্রদর্শন করা একেবারেই অনুচিত।
তবে গহনা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘ব্যারন’ গ্যালারি দাবি করেছে, তারা আইনি প্রক্রিয়া মেনেই দুলগুলো সংরক্ষণ করেছে এবং প্রাচীন পারস্যের স্বর্ণকারদের অসামান্য শৈল্পিকতাকে উদ্যাপন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
শুধু গহনা বিতর্কই নয়, মরক্কোর বিতর্কিত এলাকায় শুটিং করা নিয়েও বর্তমানে নোলানের 'দ্য ওডিসি' সিনেমাটি বয়কটের দাবি উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন