বন অধিদপ্তরের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার ‘টেকসই বন ও জীবিকা’ (সুফল) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এবং প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে নথিপত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বছর বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং পরবর্তীতে অনুসন্ধান শুরু হয়। বর্তমানে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা বন অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহের কাজ চালাচ্ছেন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে গৃহীত ‘সুফল’ প্রকল্পটি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ ছিল। তবে প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ে কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দুর্নীতির এ অভিযোগে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ একাধিক কর্মকর্তার নাম রয়েছে। নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুদক পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক অনুসন্ধানও চলমান রয়েছে, যার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে তার ও তার ছেলের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বন অধিদপ্তরের প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার ‘টেকসই বন ও জীবিকা’ (সুফল) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এবং প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে নথিপত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বছর বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং পরবর্তীতে অনুসন্ধান শুরু হয়। বর্তমানে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা বন অধিদপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহের কাজ চালাচ্ছেন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে গৃহীত ‘সুফল’ প্রকল্পটি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় উদ্যোগ ছিল। তবে প্রকল্পটির মাঠপর্যায়ে কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দুর্নীতির এ অভিযোগে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ একাধিক কর্মকর্তার নাম রয়েছে। নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুদক পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক অনুসন্ধানও চলমান রয়েছে, যার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে তার ও তার ছেলের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন