লক্ষ্মীপুর জেলায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৮১৪ টাকা।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) বাস্তবায়নাধীন ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় এ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এটি নির্মিত হবে।
উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির মাধ্যমে মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যৌথভাবে এমবিএল এবং আরইএল, ঢাকা সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজটির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। তাদের মাধ্যমেই এ নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হবে।
প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার সংরক্ষণের জন্য স্টিল কাঠামোর বাফার গুদাম নির্মিত হবে। এর বাইরে ভূমি উন্নয়ন, অফিস-কাম-অতিথিশালা, আনসার ব্যারাক, উপকেন্দ্র ও জেনারেটর কক্ষ, ওয়াচ টাওয়ার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সীমানাপ্রাচীর এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো তৈরি করা হবে।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল। এই প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
লক্ষ্মীপুর জেলায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৮১৪ টাকা।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) বাস্তবায়নাধীন ‘সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় এ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এটি নির্মিত হবে।
উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির মাধ্যমে মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যৌথভাবে এমবিএল এবং আরইএল, ঢাকা সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে কাজটির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। তাদের মাধ্যমেই এ নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হবে।
প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার সংরক্ষণের জন্য স্টিল কাঠামোর বাফার গুদাম নির্মিত হবে। এর বাইরে ভূমি উন্নয়ন, অফিস-কাম-অতিথিশালা, আনসার ব্যারাক, উপকেন্দ্র ও জেনারেটর কক্ষ, ওয়াচ টাওয়ার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সীমানাপ্রাচীর এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো তৈরি করা হবে।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল। এই প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

আপনার মতামত লিখুন