কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জিলানী অভিযোগ করেছেন, তাকে মাদক মামলায় পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি পাকা সড়কের পাশ থেকে দুটি বস্তায় প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে মোহাম্মদ জিলানীর নামে একটি মামলা করা হয়।
তবে জিলানীর দাবি, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি জানান, ওই সময় তিনি নিজের মাছের প্রকল্পে অবস্থান করছিলেন। তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চারপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করলে ঘটনার সময় তার উপস্থিতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
মোহাম্মদ জিলানী বলেন, “আমি কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাই।”
তিনি আরও দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া গাঁজা কার ছিল এবং কীভাবে তা ঘটনাস্থলে এলো—সেটিও তদন্তের মাধ্যমে বের করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “এটি ডিবি পুলিশের করা মামলা। তারা মামলা করে কাগজপত্র আমাদের কাছে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে অতিরিক্ত কোনো তথ্য নেই।”
(অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযোজন করা হবে।)
বিষয় : মাদক দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জিলানী অভিযোগ করেছেন, তাকে মাদক মামলায় পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৩টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি পাকা সড়কের পাশ থেকে দুটি বস্তায় প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরবর্তীতে মোহাম্মদ জিলানীর নামে একটি মামলা করা হয়।
তবে জিলানীর দাবি, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি জানান, ওই সময় তিনি নিজের মাছের প্রকল্পে অবস্থান করছিলেন। তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চারপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করলে ঘটনার সময় তার উপস্থিতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যাবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
মোহাম্মদ জিলানী বলেন, “আমি কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চাই।”
তিনি আরও দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া গাঁজা কার ছিল এবং কীভাবে তা ঘটনাস্থলে এলো—সেটিও তদন্তের মাধ্যমে বের করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “এটি ডিবি পুলিশের করা মামলা। তারা মামলা করে কাগজপত্র আমাদের কাছে পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে আমাদের কাছে অতিরিক্ত কোনো তথ্য নেই।”
(অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযোজন করা হবে।)

আপনার মতামত লিখুন