রংপুরে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাসপাতালটি উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট শাখার অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ হাসপাতালের আউটডোর, ইনডোর ভবন, প্রবেশদ্বার ও অক্সিজেন প্লান্ট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি নিয়ে রংপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আরিফ আহমদ জানান, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলো চালুর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ও জনবল নিয়োগের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, হাসপাতালের আসবাবপত্র কেনার জন্যও টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। নমুনা যাচাই-বাছাই চলছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টির বিষয়টি অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এর আগে অতিরিক্ত সচিব রংপুর মা ও শিশু হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন শাহীন সুলতানাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। জানা গেছে, রংপুরের সাবেক সদর হাসপাতালের ১ দশমিক ৭৮ একর জমির ওপর ১০০ শয্যার এই আধুনিক শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর এর নির্মাণকাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রায় ৩১ কোটি ৪৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে ঢাকার মেসার্স মল্লিক এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স অণিক ট্রেডিং করপোরেশন ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করে। তিনতলা মূল হাসপাতাল ভবনে রয়েছে জরুরি বিভাগ, আউটডোর, চিকিৎসকদের চেম্বার, ল্যাব, অপারেশন থিয়েটার, ব্রোন ইউনিট, ওয়ার্ড ও কেবিন সুবিধা। এছাড়া চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য পৃথক আবাসিক ভবনও নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২০ সালের ৮ মার্চ হাসপাতাল ভবনটি জেলা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে করোনা মহামারির সময় এটি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। হাসপাতালটি চালু হলে শিশুদের জটিল সার্জারিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা কম খরচে পাওয়া যাবে এবং রংপুর অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
রংপুরে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাসপাতালটি উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেট শাখার অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ হাসপাতালের আউটডোর, ইনডোর ভবন, প্রবেশদ্বার ও অক্সিজেন প্লান্ট পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি নিয়ে রংপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আরিফ আহমদ জানান, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মিত শিশু হাসপাতালগুলো চালুর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ও জনবল নিয়োগের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, হাসপাতালের আসবাবপত্র কেনার জন্যও টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। নমুনা যাচাই-বাছাই চলছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টির বিষয়টি অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এর আগে অতিরিক্ত সচিব রংপুর মা ও শিশু হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন শাহীন সুলতানাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। জানা গেছে, রংপুরের সাবেক সদর হাসপাতালের ১ দশমিক ৭৮ একর জমির ওপর ১০০ শয্যার এই আধুনিক শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর এর নির্মাণকাজের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। প্রায় ৩১ কোটি ৪৮ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়ে ঢাকার মেসার্স মল্লিক এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স অণিক ট্রেডিং করপোরেশন ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করে। তিনতলা মূল হাসপাতাল ভবনে রয়েছে জরুরি বিভাগ, আউটডোর, চিকিৎসকদের চেম্বার, ল্যাব, অপারেশন থিয়েটার, ব্রোন ইউনিট, ওয়ার্ড ও কেবিন সুবিধা। এছাড়া চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য পৃথক আবাসিক ভবনও নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২০ সালের ৮ মার্চ হাসপাতাল ভবনটি জেলা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে করোনা মহামারির সময় এটি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। হাসপাতালটি চালু হলে শিশুদের জটিল সার্জারিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা কম খরচে পাওয়া যাবে এবং রংপুর অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা ভোগান্তি কমবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন