শেখ মাহতাব হোসেন: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালী সড়কের বেহাল দশা দূর করতে নিজ উদ্যোগে সংস্কার কাজ শুরু করেছেন ৮নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের বিভিন্ন অংশে ইট ও খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুলছেন চেয়ারম্যান নিজেই। নিজের অর্থায়নে এ সংস্কার কাজ করানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, কুলবাড়িয়া-মাগুরখালী সড়কটি আটলিয়া ইউনিয়নের হাজারো মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।
চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, “এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির কয়েকটি অংশ ভেঙে গিয়ে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গিয়েছিল। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে নিজের উদ্যোগ ও অর্থায়নে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কারের কাজ শুরু করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। সামান্য এই উদ্যোগে যদি মানুষের চলাচলে স্বস্তি আসে, সেটাই আমার বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে সড়কটি স্থায়ীভাবে পাকা ও প্রশস্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।”
এদিকে, চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছেন চেয়ারম্যান। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমার পাশাপাশি মানুষের চলাচল আরও সহজ হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
শেখ মাহতাব হোসেন: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া থেকে মাগুরখালী সড়কের বেহাল দশা দূর করতে নিজ উদ্যোগে সংস্কার কাজ শুরু করেছেন ৮নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের বিভিন্ন অংশে ইট ও খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তুলছেন চেয়ারম্যান নিজেই। নিজের অর্থায়নে এ সংস্কার কাজ করানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানান, কুলবাড়িয়া-মাগুরখালী সড়কটি আটলিয়া ইউনিয়নের হাজারো মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।
চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, “এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করেন। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির কয়েকটি অংশ ভেঙে গিয়ে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে গিয়েছিল। সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে নিজের উদ্যোগ ও অর্থায়নে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো সংস্কারের কাজ শুরু করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। সামান্য এই উদ্যোগে যদি মানুষের চলাচলে স্বস্তি আসে, সেটাই আমার বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে সড়কটি স্থায়ীভাবে পাকা ও প্রশস্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে।”
এদিকে, চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলেন, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছেন চেয়ারম্যান। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমার পাশাপাশি মানুষের চলাচল আরও সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন