নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের কাঁচা মরিচ আমদানির ঘোষণার পরপরই দেশের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আজ (সোমবার) থেকে আমদানি কার্যক্রম শুরু হওয়ার খবরে মাত্র একদিনের ব্যবধানে রান্নাঘরের অতীব জরুরি এই পণ্যটির দাম কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মগদা, মানিকনগরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ মানভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা গতকালও ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে হাইব্রিড জাতের কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, গাঢ় সবুজ জাতের চাষের মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে কৃষকের খেত নষ্ট হওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছিল, যার ফলে দাম প্রায় তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। মানিকনগর পুকুরপাড় বাজারের সবজি বিক্রেতা আকবর আলী বলেন, "বৃষ্টির কারণে পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত মরিচ আসছিল না। তবে আজ সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, তাই দামও কমতির দিকে।"
কাঁচা মরিচের এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা গেছে। মানিকনগর বাজারে আসা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক রোকন উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
"কাঁচা মরিচের এই অস্বাভাবিক দামবৃদ্ধি পুরোটাই সিন্ডিকেটের কারসাজি। কয়েক দিন আগেই যে মরিচ ২০ টাকায় ২৫০ গ্রাম কিনেছি, এখন তা কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকায়। যদি সিন্ডিকেটই না হবে, তবে গতকাল ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মরিচ আজ আমদানির খবরেই ৩০০ টাকায় নামলো কীভাবে?"
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গতকাল রোববার রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শন করেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি দল। পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন:
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বাণিজ্যমন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, কৃষিমন্ত্রী
মো. আবদুল বারী, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
মো. আবদুস সালাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান, কাঁচা মরিচের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানোর পাশাপাশি আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া হয়েছে। আজ থেকেই কাঁচা মরিচ দেশে আসা শুরু হবে এবং আগামী ২ থেকে ৫ দিনের মধ্যে এর দাম পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের কাঁচা মরিচ আমদানির ঘোষণার পরপরই দেশের বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আজ (সোমবার) থেকে আমদানি কার্যক্রম শুরু হওয়ার খবরে মাত্র একদিনের ব্যবধানে রান্নাঘরের অতীব জরুরি এই পণ্যটির দাম কেজিতে ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মগদা, মানিকনগরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ মানভেদে ২৮০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; যা গতকালও ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে হাইব্রিড জাতের কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, গাঢ় সবুজ জাতের চাষের মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে কৃষকের খেত নষ্ট হওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছিল, যার ফলে দাম প্রায় তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়। মানিকনগর পুকুরপাড় বাজারের সবজি বিক্রেতা আকবর আলী বলেন, "বৃষ্টির কারণে পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত মরিচ আসছিল না। তবে আজ সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, তাই দামও কমতির দিকে।"
কাঁচা মরিচের এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা গেছে। মানিকনগর বাজারে আসা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক রোকন উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
"কাঁচা মরিচের এই অস্বাভাবিক দামবৃদ্ধি পুরোটাই সিন্ডিকেটের কারসাজি। কয়েক দিন আগেই যে মরিচ ২০ টাকায় ২৫০ গ্রাম কিনেছি, এখন তা কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকায়। যদি সিন্ডিকেটই না হবে, তবে গতকাল ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মরিচ আজ আমদানির খবরেই ৩০০ টাকায় নামলো কীভাবে?"
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গতকাল রোববার রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শন করেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি দল। পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন:
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বাণিজ্যমন্ত্রী
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, কৃষিমন্ত্রী
মো. আবদুল বারী, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
মো. আবদুস সালাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান, কাঁচা মরিচের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানোর পাশাপাশি আমদানির অনুমতি (আইপি) দেওয়া হয়েছে। আজ থেকেই কাঁচা মরিচ দেশে আসা শুরু হবে এবং আগামী ২ থেকে ৫ দিনের মধ্যে এর দাম পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন