চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদেশি মুদ্রার জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আরামবাগ-বালুবাগান এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় বিভিন্ন দেশের ২৫ বান্ডিল জাল নোট জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের ইনচার্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার হোসেন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে তসিকুল ইসলাম এবং নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মন্দিমোড় এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে শামীম আলী।
র্যাব কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরামবাগ-বালুবাগান এলাকার একটি তিনতলা বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাবের একটি দল। এ সময় বাড়িটি থেকে বিভিন্ন দেশের ২৫ বান্ডিল জাল মুদ্রা ও জাল নোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তসিকুল ইসলাম ও শামীম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জাল মুদ্রা তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করার কথা স্বীকার করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িটি জাল মুদ্রা তৈরির কারখানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সেখানে বিভিন্ন দেশের জাল মুদ্রা তৈরি করা হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জাল মুদ্রা তৈরির মূলহোতাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদেশি মুদ্রার জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আরামবাগ-বালুবাগান এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় বিভিন্ন দেশের ২৫ বান্ডিল জাল নোট জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের ইনচার্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার হোসেন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে তসিকুল ইসলাম এবং নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মন্দিমোড় এলাকার সাইদুর রহমানের ছেলে শামীম আলী।
র্যাব কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরামবাগ-বালুবাগান এলাকার একটি তিনতলা বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাবের একটি দল। এ সময় বাড়িটি থেকে বিভিন্ন দেশের ২৫ বান্ডিল জাল মুদ্রা ও জাল নোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তসিকুল ইসলাম ও শামীম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জাল মুদ্রা তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করার কথা স্বীকার করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িটি জাল মুদ্রা তৈরির কারখানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সেখানে বিভিন্ন দেশের জাল মুদ্রা তৈরি করা হতো বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, জাল মুদ্রা তৈরির মূলহোতাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন