হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরের গোলচত্বর এলাকায় একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১ হাজার ৮১২ গ্রাম (প্রায় ১৫৫.৩৫ ভরি) স্বর্ণ উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ৮৯২ টাকা।
সোমবার (১০ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের গোলচত্বর এলাকায় সন্দেহভাজন একটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় গাড়িচালক মো. শামীম মিয়া গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যান।
পরে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সহযোগিতায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারফ্রেইট সার্কেলের কর্মকর্তারা গাড়িটিতে তল্লাশি চালান। এ সময় গাড়ির ভেতর থেকে ১৪টি স্বর্ণের বার ও ১২টি স্বর্ণের পাত উদ্ধার করা হয়।
তল্লাশির সময় গাড়ি থেকে একটি নতুন আইফোন ১৭ প্রো, আরও দুটি মোবাইল ফোন, একটি ব্যবহৃত ল্যাপটপ, নগদ ১ লাখ ৭ হাজার ৫৮৫ টাকা, বিভিন্ন ব্যাংকের আটটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, দুটি ড্রাইভিং লাইসেন্স ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়।
উদ্ধার করা সব মালামাল কাস্টমস হল এলাকায় এনে নিয়ম অনুযায়ী ইনভেন্টরি বা তালিকা প্রস্তুত করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা স্বর্ণের মান ২৪ ক্যারেট। ঢাকা কাস্টমস হাউসের স্বর্ণ পরীক্ষা যন্ত্রে পরীক্ষা করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ঘটনায় পলাতক গাড়িচালক মো. শামীম মিয়ার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরের গোলচত্বর এলাকায় একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১ হাজার ৮১২ গ্রাম (প্রায় ১৫৫.৩৫ ভরি) স্বর্ণ উদ্ধার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৭২ লাখ ৭২ হাজার ৮৯২ টাকা।
সোমবার (১০ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের গোলচত্বর এলাকায় সন্দেহভাজন একটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় গাড়িচালক মো. শামীম মিয়া গাড়িটি ফেলে পালিয়ে যান।
পরে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সহযোগিতায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এয়ারফ্রেইট সার্কেলের কর্মকর্তারা গাড়িটিতে তল্লাশি চালান। এ সময় গাড়ির ভেতর থেকে ১৪টি স্বর্ণের বার ও ১২টি স্বর্ণের পাত উদ্ধার করা হয়।
তল্লাশির সময় গাড়ি থেকে একটি নতুন আইফোন ১৭ প্রো, আরও দুটি মোবাইল ফোন, একটি ব্যবহৃত ল্যাপটপ, নগদ ১ লাখ ৭ হাজার ৫৮৫ টাকা, বিভিন্ন ব্যাংকের আটটি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, দুটি ড্রাইভিং লাইসেন্স ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়।
উদ্ধার করা সব মালামাল কাস্টমস হল এলাকায় এনে নিয়ম অনুযায়ী ইনভেন্টরি বা তালিকা প্রস্তুত করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দ করা স্বর্ণের মান ২৪ ক্যারেট। ঢাকা কাস্টমস হাউসের স্বর্ণ পরীক্ষা যন্ত্রে পরীক্ষা করে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ ঘটনায় পলাতক গাড়িচালক মো. শামীম মিয়ার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন