জামালপুরের যৌনপল্লীতে গড়ে উঠেছে মাদক ব্যবসা ও সেবনের রমরমা কারবার। দেহ ব্যবসার পাশাপাশি প্রকাশ্যে গাঁজা ও দেশি-বিদেশি মদসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিকিকিনি বাড়ায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। মাদক কারবার বন্ধসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সচেতন মহল ও বাসিন্দারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১১টি বাড়ি ও ১৭৫টি ঘরের এই যৌনপল্লীতে সোয়া শ’র বেশি নারী বসবাস করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পল্লীর বেশ কিছু ঘরে নিয়মিত মাদকের হাট বসছে। অনুমোদিত মদের কাউন্টার থেকে চড়া দামে ঘরে ঘরে মদ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এতে বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়ে তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন যৌনকর্মী জানান, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় সাধারণ নারীরা অর্থকষ্ট ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এছাড়া দালালচক্র, চড়া সুদের ঋণ এবং প্রলোভনে পড়ে আসা অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবস্থানের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
সম্প্রতি আমলাপাড়া ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল পাশা ও তাঁর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও মাদক বন্ধে পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগের কাগজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যদিও এতে নাম থাকা ‘সূর্য্যের হাসি সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র সভাপতি মোছা. রেখা বেগম অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত ফাঁড়ি ইনচার্জ কামাল পাশাও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে জানান, অনিয়মের কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং তাঁর অজান্তে গোপনে কিছু বিক্রি হতে পারে।
জামালপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমীন জানান, সেখানে নিয়মিত অভিযান ও মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং শীঘ্রই পুলিশের সাথে যৌথ অভিযান চালানো হবে।
জামালপুর সদর থানার ওসি মো: নাজমুস সাকিব ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে অভিযান আরও জোরদার করার আশ্বাস দেন তাঁরা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরের যৌনপল্লীতে গড়ে উঠেছে মাদক ব্যবসা ও সেবনের রমরমা কারবার। দেহ ব্যবসার পাশাপাশি প্রকাশ্যে গাঁজা ও দেশি-বিদেশি মদসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিকিকিনি বাড়ায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। মাদক কারবার বন্ধসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সচেতন মহল ও বাসিন্দারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১১টি বাড়ি ও ১৭৫টি ঘরের এই যৌনপল্লীতে সোয়া শ’র বেশি নারী বসবাস করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় পল্লীর বেশ কিছু ঘরে নিয়মিত মাদকের হাট বসছে। অনুমোদিত মদের কাউন্টার থেকে চড়া দামে ঘরে ঘরে মদ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এতে বহিরাগত মাদকসেবীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়ে তরুণ প্রজন্ম ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন যৌনকর্মী জানান, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বেশি প্রাধান্য দেওয়ায় সাধারণ নারীরা অর্থকষ্ট ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এছাড়া দালালচক্র, চড়া সুদের ঋণ এবং প্রলোভনে পড়ে আসা অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবস্থানের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
সম্প্রতি আমলাপাড়া ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল পাশা ও তাঁর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও মাদক বন্ধে পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগের কাগজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। যদিও এতে নাম থাকা ‘সূর্য্যের হাসি সমাজ কল্যাণ সংস্থা’র সভাপতি মোছা. রেখা বেগম অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত ফাঁড়ি ইনচার্জ কামাল পাশাও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে জানান, অনিয়মের কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং তাঁর অজান্তে গোপনে কিছু বিক্রি হতে পারে।
জামালপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ রুহুল আমীন জানান, সেখানে নিয়মিত অভিযান ও মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং শীঘ্রই পুলিশের সাথে যৌথ অভিযান চালানো হবে।
জামালপুর সদর থানার ওসি মো: নাজমুস সাকিব ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ইয়াহিয়া আল মামুন জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে অভিযান আরও জোরদার করার আশ্বাস দেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন