নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬

চরবাগডাঙ্গায় বিএনপি নেতা আজিজুলের অফিস-বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

চরবাগডাঙ্গায় বিএনপি নেতা আজিজুলের অফিস-বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ও নারায়ণপুর ইউনিয়নের বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বালুমহালের ঠিকাদার মো. আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ইজারাকৃত পদ্মা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মামলা দুটি হলো—সদর থানার মামলা নং-৪৬ ও ৪৭, তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬।


মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সইবুরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি পুলিশ দল বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় যায়। এ সময় স্থানীয় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মানুষ জড়ো হয়ে পুলিশকে আসামি গ্রেপ্তারে বাধা দেয় বলে জানা গেছে।


পরে আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামাল তছনছ করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।


আজিজুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আত্মগোপনে থাকা এক আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


পরিবারের সদস্যদের আরও দাবি, হামলার পর থেকে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।


স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলা নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছিল। সেই ক্ষোভের জেরেই বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।


এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ইনচার্জ মো. একরামুল হোসাইন জানান, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তবে বাড়ি ও অফিসে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চরবাগডাঙ্গায় বিএনপি নেতা আজিজুলের অফিস-বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ও নারায়ণপুর ইউনিয়নের বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বালুমহালের ঠিকাদার মো. আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ইজারাকৃত পদ্মা নদীর বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। মামলা দুটি হলো—সদর থানার মামলা নং-৪৬ ও ৪৭, তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২৬।


মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সইবুরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি পুলিশ দল বাখরআলি ও আলিমনগর এলাকায় যায়। এ সময় স্থানীয় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন মানুষ জড়ো হয়ে পুলিশকে আসামি গ্রেপ্তারে বাধা দেয় বলে জানা গেছে।


পরে আজিজুল ইসলামের অফিস ও বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামাল তছনছ করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।


আজিজুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আত্মগোপনে থাকা এক আওয়ামী লীগ নেতার নির্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


পরিবারের সদস্যদের আরও দাবি, হামলার পর থেকে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।


স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলা নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছিল। সেই ক্ষোভের জেরেই বৃহস্পতিবার রাতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।


এ বিষয়ে সদর মডেল থানার ইনচার্জ মো. একরামুল হোসাইন জানান, ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তবে বাড়ি ও অফিসে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত