ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মো. মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে ভূমিকা রাখছেন তুরাগ থানা ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের রানাভোলা ইউনিট বিএনপির সভাপতি এবং তুরাগ থানা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সভাপতি মো. ইমন হোসেন মনির।
বিএনপির দুঃসময়ে দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে ইমন হোসেন মনির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয়েছে। ওই সময়ে কোনো সভা-সমাবেশে অংশ নেওয়ার পর নিরাপদে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা ছিল না। অনেক নেতাকর্মী সভা-সমাবেশে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
তিনি বলেন, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কোনো সভা-সমাবেশ বা মিছিল বাদ দেননি। বরাবরই সামনের সারিতে থেকে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মৃত্যুকে কখনো ভয় করেননি। বিএনপির কর্মসূচিতে অংশ নিলে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে—এটা জেনেও কোনো ধরনের ভয় না করে রাজপথে থেকেছেন এবং প্রতিটি সভা-সমাবেশ সফল করতে ভূমিকা রেখেছেন।
ইমন হোসেন মনির বলেন, “আমি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত বিএনপি কর্মী হিসেবে গড়ে তুলেছি। আমার রাজনৈতিক অভিভাবক হাজী মো. মোস্তফা জামান ভাইয়ের হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা। যতদিন রাজনীতি করব, ততদিন তার পাশে থেকে, তার হাত ধরেই রাজনীতি করে যাব—ইনশাআল্লাহ।”
নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও জানতে ‘ঢাকা উত্তর বিএনপি সমর্থক’ নামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডিটি অনুসরণ করার আহ্বান জানান তিনি। সেখানে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ছবি ও ভিডিও রয়েছে বলেও জানান ইমন হোসেন মনির।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মো. মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে ভূমিকা রাখছেন তুরাগ থানা ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের রানাভোলা ইউনিট বিএনপির সভাপতি এবং তুরাগ থানা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সভাপতি মো. ইমন হোসেন মনির।
বিএনপির দুঃসময়ে দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে ইমন হোসেন মনির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয়েছে। ওই সময়ে কোনো সভা-সমাবেশে অংশ নেওয়ার পর নিরাপদে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা ছিল না। অনেক নেতাকর্মী সভা-সমাবেশে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
তিনি বলেন, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কোনো সভা-সমাবেশ বা মিছিল বাদ দেননি। বরাবরই সামনের সারিতে থেকে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মৃত্যুকে কখনো ভয় করেননি। বিএনপির কর্মসূচিতে অংশ নিলে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে—এটা জেনেও কোনো ধরনের ভয় না করে রাজপথে থেকেছেন এবং প্রতিটি সভা-সমাবেশ সফল করতে ভূমিকা রেখেছেন।
ইমন হোসেন মনির বলেন, “আমি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত বিএনপি কর্মী হিসেবে গড়ে তুলেছি। আমার রাজনৈতিক অভিভাবক হাজী মো. মোস্তফা জামান ভাইয়ের হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা। যতদিন রাজনীতি করব, ততদিন তার পাশে থেকে, তার হাত ধরেই রাজনীতি করে যাব—ইনশাআল্লাহ।”
নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও জানতে ‘ঢাকা উত্তর বিএনপি সমর্থক’ নামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডিটি অনুসরণ করার আহ্বান জানান তিনি। সেখানে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ছবি ও ভিডিও রয়েছে বলেও জানান ইমন হোসেন মনির।

আপনার মতামত লিখুন