অভিযানে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫-এর ৬(২) ধারা লঙ্ঘন করে যানবাহনে অনুমোদিত শব্দমাত্রার অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করায় চারটি ট্রাক ও দুটি বাসের চালক/প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়। একই সঙ্গে আটটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া নির্মাণসামগ্রী অনাবৃত অবস্থায় পরিবহনের দায়ে বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী আরও ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মোবাইল কোর্টে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দ্র। প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
অভিযানকালে শব্দদূষণের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনে শব্দদূষণবিরোধী স্টিকারও সাঁটানো হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ জানান, জনস্বার্থে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
অভিযানে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫-এর ৬(২) ধারা লঙ্ঘন করে যানবাহনে অনুমোদিত শব্দমাত্রার অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করায় চারটি ট্রাক ও দুটি বাসের চালক/প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়। একই সঙ্গে আটটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।
এ ছাড়া নির্মাণসামগ্রী অনাবৃত অবস্থায় পরিবহনের দায়ে বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী আরও ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মোবাইল কোর্টে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দ্র। প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
অভিযানকালে শব্দদূষণের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনে শব্দদূষণবিরোধী স্টিকারও সাঁটানো হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ জানান, জনস্বার্থে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন