কেমন ছিলো এবারের রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ?
১. ভোক্তাদের সন্তুষ্টি ও বাজার পরিস্থিতি:
মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সবসময় উদ্বেগ থাকলেও এবারের রমজানে তা ছিল না। একটি জরিপে দেখা যায়, (এবার রোজায় দ্রব্যমূল্যে সন্তুষ্ট ৯৫ শতাংশ মানুষ, কালবেলা, ২৯ মার্চ ২০২৫)
২.পণ্যের দাম ও সরবরাহ:
খেজুর, ডাল, ছোলা, তেল, চিনি, ডিম, সবজি, চাল ইত্যাদির দাম অনেক ক্ষেত্রেই কম ছিল।
• খেজুর: ৩০-৫০% দাম কমেছে।
• ডিম: প্রতি ডজন ১২০ টাকা, যা আগে ছিল ১৯০ টাকা।
•চিনি: ১৪৫ টাকা থেকে ১২০ টাকায় নেমেছে।
•আলু ও টমেটো: যথাক্রমে ২২ ও ২০ টাকা।
•সবজির দামও তুলনামূলকভাবে কম ছিল।
৩. ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ:
ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা এবং আন্তর্জাতিক৷৷ বাজারে দাম বাড়লেও, সরকার কর কমিয়ে, বাজার মূল্য সমন্বয় করে স্থিতিশীল রেখেছে।
• শুল্ক ১৫% থেকে ৫%-এ নামানো হয়েছে।
•সানফ্লাওয়ার ও ক্যানোলা তেলের শুল্কও ৫%-এ আনা হয়েছে।
•দেশীয় রাইস ব্র্যান তেল স্থানীয় বাজারে যুক্ত হয়েছে এবং প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করেছে।
৪. চালের বাজার পরিস্থিতি:
বন্যায় আমনের উৎপাদন ব্যাহত হলেও সরকারের পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
• চাল আমদানির শুল্ক ৬৩% থেকে ৩%-এ নামানো হয়।
•চালের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে স্বর্ণা চাল পাওয়া যাচ্ছে ৫৫-৫৬ টাকায়।
•আটা ও ময়দার দাম কমে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে চাহিদা পূরণ হয়েছে।
৫. সময়োচিত সরকারি প্রস্তুতি ও সমন্বয়:
রমজানের ছয় মাস আগেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। ট্যারিফ কমিশন, বাণিজ্য, খাদ্য, কৃষি, মৎস্য, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করেছে।
কেমন ছিলো এবারের রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ?
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৫
১. ভোক্তাদের সন্তুষ্টি ও বাজার পরিস্থিতি:
মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সবসময় উদ্বেগ থাকলেও এবারের রমজানে তা ছিল না। একটি জরিপে দেখা যায়, (এবার রোজায় দ্রব্যমূল্যে সন্তুষ্ট ৯৫ শতাংশ মানুষ, কালবেলা, ২৯ মার্চ ২০২৫)
২.পণ্যের দাম ও সরবরাহ:
খেজুর, ডাল, ছোলা, তেল, চিনি, ডিম, সবজি, চাল ইত্যাদির দাম অনেক ক্ষেত্রেই কম ছিল।
• খেজুর: ৩০-৫০% দাম কমেছে।
• ডিম: প্রতি ডজন ১২০ টাকা, যা আগে ছিল ১৯০ টাকা।
•চিনি: ১৪৫ টাকা থেকে ১২০ টাকায় নেমেছে।
•আলু ও টমেটো: যথাক্রমে ২২ ও ২০ টাকা।
•সবজির দামও তুলনামূলকভাবে কম ছিল।
৩. ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ:
ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা এবং আন্তর্জাতিক৷৷ বাজারে দাম বাড়লেও, সরকার কর কমিয়ে, বাজার মূল্য সমন্বয় করে স্থিতিশীল রেখেছে।
• শুল্ক ১৫% থেকে ৫%-এ নামানো হয়েছে।
•সানফ্লাওয়ার ও ক্যানোলা তেলের শুল্কও ৫%-এ আনা হয়েছে।
•দেশীয় রাইস ব্র্যান তেল স্থানীয় বাজারে যুক্ত হয়েছে এবং প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করেছে।
৪. চালের বাজার পরিস্থিতি:
বন্যায় আমনের উৎপাদন ব্যাহত হলেও সরকারের পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
• চাল আমদানির শুল্ক ৬৩% থেকে ৩%-এ নামানো হয়।
•চালের দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে স্বর্ণা চাল পাওয়া যাচ্ছে ৫৫-৫৬ টাকায়।
•আটা ও ময়দার দাম কমে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে চাহিদা পূরণ হয়েছে।
৫. সময়োচিত সরকারি প্রস্তুতি ও সমন্বয়:
রমজানের ছয় মাস আগেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। ট্যারিফ কমিশন, বাণিজ্য, খাদ্য, কৃষি, মৎস্য, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করেছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন