বৃক্ষ শুধু অক্সিজেন সরবরাহই করে না, বরং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে বৃক্ষ মাটি ক্ষয় রোধ, পানি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকেও বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কাঠ, ফল এবং ঔষধি গাছ মানুষের আয়ের উৎস সৃষ্টি করে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।
বর্তমান সরকার বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অনুধাবন করে একটি জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ২০২৬ সাল থেকে শুরু করে পাঁচ বছরে মোট ২৫ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বৃক্ষ আচ্ছাদন ২২.৩৭ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ চারা সরবরাহ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।
এ ছাড়া জাতীয় বননীতি–২০১৬, ফরেস্ট্রি মাস্টার প্ল্যান (২০১৬–২০৩৬) এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০২১–২০২৫) টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
------------
ড. মোহাম্মদ নূরুল হক
সিনিয়র প্রভাষক
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
ক্যামব্রিয়ান কলেজ। ঢাকা

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
বৃক্ষ শুধু অক্সিজেন সরবরাহই করে না, বরং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কমাতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে বৃক্ষ মাটি ক্ষয় রোধ, পানি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকেও বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কাঠ, ফল এবং ঔষধি গাছ মানুষের আয়ের উৎস সৃষ্টি করে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।
বর্তমান সরকার বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অনুধাবন করে একটি জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ২০২৬ সাল থেকে শুরু করে পাঁচ বছরে মোট ২৫ কোটি গাছ রোপণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বৃক্ষ আচ্ছাদন ২২.৩৭ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ চারা সরবরাহ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।
এ ছাড়া জাতীয় বননীতি–২০১৬, ফরেস্ট্রি মাস্টার প্ল্যান (২০১৬–২০৩৬) এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০২১–২০২৫) টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
------------
ড. মোহাম্মদ নূরুল হক
সিনিয়র প্রভাষক
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
ক্যামব্রিয়ান কলেজ। ঢাকা

আপনার মতামত লিখুন