নজর বিডি
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা: তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা: তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং এর প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ কর্তৃক গ্রহণ করা সরকারি-বেসরকারি অনুদানের অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান।


সোমালিয়ার দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভাইস চ্যান্সেলর অভিযোগ করেছেন, আলোকিত মানুষ গড়ার নাম করে মূলত একটি বিশেষ 'এলিট' শ্রেণির বিকাশ ঘটানো হচ্ছে, যেখানে মেহনতি মানুষের কোনো স্থান নেই।

এক বিবৃতিতে ড. আসিফ মিজান বলেন, "আমরা জানতাম না যে স্যার (আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ) সরকার থেকে কোটি কোটি টাকা অনুদান নিয়ে কেবল উচ্চবিত্ত বা এলিট শ্রেণির শহুরে মানুষের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলছেন। জনকল্যাণ ও শিক্ষার প্রসারের নামে প্রাপ্ত এই বিপুল অর্থের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।"

বিবৃতিতে তিনি প্রবাসী শ্রমিকদের আচরণ নিয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের পুরনো একটি বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। যেখানে আবু সায়ীদ বলেছিলেন, বিমানে শ্রমিকদের আচরণ দেখে মনে হয় না তারা সভ্য জগতের সাথে পরিচিত।

এই মন্তব্যের সমালোচনা করে ড. আসিফ মিজান বলেন, "আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তাঁর এই তীব্র ক্ষোভ আমাদের ব্যথিত করে। এই প্রবাসী শ্রমিকদের তো আর আপনার ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র’ থেকে বই নিয়ে তথাকথিত বিড়ালতপস্বী হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। তাই বলে কি তাদের আপনি অসভ্য বা রুচিহীন বলবেন?"

তিনি আরও বলেন, "আলোকিত মানুষ হওয়ার প্রথম শর্তই হলো মানুষকে মর্যাদা দিতে শেখা। রাষ্ট্রীয় অনুদান নিয়ে একশ্রেণির মানুষকে আলোকিত করবেন আর মূল কারিগর শ্রমিকদের অবজ্ঞা করবেন—তা হতে পারে না। এই অর্থের বণ্টন এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে উচ্চতর তদন্ত এখন সময়ের দাবি।"

ড. মিজান সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জোরালো আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অনুদান ও শ্রমিকের প্রতি অবজ্ঞা: তদন্তের দাবি ড. আসিফ মিজানের

প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এবং এর প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ কর্তৃক গ্রহণ করা সরকারি-বেসরকারি অনুদানের অর্থের স্বচ্ছতা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান।


সোমালিয়ার দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভাইস চ্যান্সেলর অভিযোগ করেছেন, আলোকিত মানুষ গড়ার নাম করে মূলত একটি বিশেষ 'এলিট' শ্রেণির বিকাশ ঘটানো হচ্ছে, যেখানে মেহনতি মানুষের কোনো স্থান নেই।

এক বিবৃতিতে ড. আসিফ মিজান বলেন, "আমরা জানতাম না যে স্যার (আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ) সরকার থেকে কোটি কোটি টাকা অনুদান নিয়ে কেবল উচ্চবিত্ত বা এলিট শ্রেণির শহুরে মানুষের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলছেন। জনকল্যাণ ও শিক্ষার প্রসারের নামে প্রাপ্ত এই বিপুল অর্থের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।"

বিবৃতিতে তিনি প্রবাসী শ্রমিকদের আচরণ নিয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের পুরনো একটি বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। যেখানে আবু সায়ীদ বলেছিলেন, বিমানে শ্রমিকদের আচরণ দেখে মনে হয় না তারা সভ্য জগতের সাথে পরিচিত।

এই মন্তব্যের সমালোচনা করে ড. আসিফ মিজান বলেন, "আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা শ্রমিক শ্রেণির প্রতি তাঁর এই তীব্র ক্ষোভ আমাদের ব্যথিত করে। এই প্রবাসী শ্রমিকদের তো আর আপনার ‘বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র’ থেকে বই নিয়ে তথাকথিত বিড়ালতপস্বী হওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। তাই বলে কি তাদের আপনি অসভ্য বা রুচিহীন বলবেন?"

তিনি আরও বলেন, "আলোকিত মানুষ হওয়ার প্রথম শর্তই হলো মানুষকে মর্যাদা দিতে শেখা। রাষ্ট্রীয় অনুদান নিয়ে একশ্রেণির মানুষকে আলোকিত করবেন আর মূল কারিগর শ্রমিকদের অবজ্ঞা করবেন—তা হতে পারে না। এই অর্থের বণ্টন এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে উচ্চতর তদন্ত এখন সময়ের দাবি।"

ড. মিজান সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জোরালো আহ্বান জানান।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত