গ্রেপ্তার ও আদালতে হাজিরা
ভাটারা থানার আদালত প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জাকির হোসেন জানান, আদালত মেঘনা আলমকে ৩০ দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রাখার আদেশ দেন। ডিএমপির জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার তালেবুর রহমানও গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে কিছু জানাননি।
আটকের পূর্ব মুহূর্তের নাটকীয়তা
বুধবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের ঠিক আগে মেঘনা ফেসবুক লাইভে এসে অভিযোগ করেন, ‘পুলিশ পরিচয়ে কিছু লোক তার বাসার দরজা ভাঙার চেষ্টা করছে।’ ১২ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে লাইভ চললেও তাকে আটক করার পরপরই সেটি বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি মুছে ফেলা হয়।
পুলিশের বক্তব্য
ভাটারা থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করতে গেলে প্রথমে তিনি দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানান। পরে তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
উল্লেখযোগ্য পরিচয়
মেঘনা আলম ২০২০ সালে মিস আর্থ বাংলাদেশ খেতাব অর্জন করেন। একইসঙ্গে তিনি মিস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
আটকের কারণ এখনও অস্পষ্ট
এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত মেঘনা আলমের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান রেজাউল করিম মল্লিক জানান, তিনি এক আত্মীয়ের অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে থাকায় বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেননি এবং জনসংযোগ বিভাগে যোগাযোগের পরামর্শ দেন।
এই ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকে এর স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করছেন।
আপনার মতামত লিখুন