ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তারা বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা এবং খোলা ও পাম তেলের দাম ১২ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এ বিষয়ে তারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে চিঠি পাঠিয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আমদানিকৃত তেলে শুল্ক ও কর মওকুফের মেয়াদ ৩১ মার্চ শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে দাম বাড়ানো প্রয়োজন হয়েছে বলে দাবি তাদের।
তবে ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে ৬ ও ৮ এপ্রিল দুটি বৈঠক হলেও সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকার নিচে রাখতে চায়। কিন্তু মিল মালিকদের প্রস্তাবিত দর তার চেয়ে বেশি।
পরবর্তী বৈঠক আগামী মঙ্গলবার (দুপুর ১২টা), বাণিজ্য উপদেষ্টার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এতে টিকে, মেঘনা, সিটি গ্রুপসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আজ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ট্যারিফ কমিশনে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম জানানো হয়:
এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের প্রস্তাবিত দাম: ১৮৯ টাকা (বর্তমানে ১৭৫ টাকা)
পাঁচ লিটার বোতলের দাম: ৯২২ টাকা (বর্তমানে ৮৫২ টাকা)
খোলা সয়াবিন ও পাম তেল: ১৬৯ টাকা (বর্তমানে ১৫৭ টাকা)
এই বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মোল্লার স্বাক্ষর রয়েছে। যদিও তিনি চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, সংশ্লিষ্ট মিল মালিকরা জানাচ্ছেন, দাম চূড়ান্ত হবে মঙ্গলবারের বৈঠকে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, এভাবে আগেভাগে দাম ঘোষণা দেওয়া ঠিক হয়নি। এতে বাজারে অস্থিরতা বা কারসাজির আশঙ্কা রয়েছে। কেউ যদি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করে, তবে তা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫
ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তারা বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা এবং খোলা ও পাম তেলের দাম ১২ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এ বিষয়ে তারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে চিঠি পাঠিয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আমদানিকৃত তেলে শুল্ক ও কর মওকুফের মেয়াদ ৩১ মার্চ শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে দাম বাড়ানো প্রয়োজন হয়েছে বলে দাবি তাদের।
তবে ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সঙ্গে ৬ ও ৮ এপ্রিল দুটি বৈঠক হলেও সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকার নিচে রাখতে চায়। কিন্তু মিল মালিকদের প্রস্তাবিত দর তার চেয়ে বেশি।
পরবর্তী বৈঠক আগামী মঙ্গলবার (দুপুর ১২টা), বাণিজ্য উপদেষ্টার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এতে টিকে, মেঘনা, সিটি গ্রুপসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আজ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ট্যারিফ কমিশনে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম জানানো হয়:
এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের প্রস্তাবিত দাম: ১৮৯ টাকা (বর্তমানে ১৭৫ টাকা)
পাঁচ লিটার বোতলের দাম: ৯২২ টাকা (বর্তমানে ৮৫২ টাকা)
খোলা সয়াবিন ও পাম তেল: ১৬৯ টাকা (বর্তমানে ১৫৭ টাকা)
এই বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মোল্লার স্বাক্ষর রয়েছে। যদিও তিনি চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন, সংশ্লিষ্ট মিল মালিকরা জানাচ্ছেন, দাম চূড়ান্ত হবে মঙ্গলবারের বৈঠকে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, এভাবে আগেভাগে দাম ঘোষণা দেওয়া ঠিক হয়নি। এতে বাজারে অস্থিরতা বা কারসাজির আশঙ্কা রয়েছে। কেউ যদি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করে, তবে তা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন