ইলিশ মাছ ধরা বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগেই রাজধানীর বাজারগুলোতে ইলিশের দাম চড়া হয়ে উঠেছে। ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ ভালো থাকলেও দাম এক লাফে কেজিতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়ে গেছে।
বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকা, ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২০০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ১৬০০ টাকা, ৩০০ গ্রামের ইলিশ ১১০০ টাকা এবং ১৫০ থেকে ২০০ গ্রামের মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, ভরা মৌসুমেও সিন্ডিকেটের কারণে ইলিশের দাম নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তালতলা বাজারে ক্রেতা তোফাজ্জল সিকদার বলেন, “গত বছর এই সময় ইলিশের দাম অনেক কম ছিল। এবছর বড় মাছ বাজারে নেই। জাটকাও ৬০০-৭০০ টাকার নিচে মিলছে না। সরকারের উচিত সিন্ডিকেট ভাঙা, না হলে ভবিষ্যতে হয়তো ইলিশ আর চোখেই দেখবো না।”
শুধু ইলিশ নয়, অন্যান্য মাছের বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শিং মাছ (চাষা) : ৩৫০-৫৫০ টাকা, দেশি শিং : ১০০০-১২০০ টাকা
রুই : ৪০০-৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর : ৮০০-১০০০ টাকা
চাষা পাঙ্গাস : ২০০-২৩৫ টাকা, চিংড়ি : ৮০০-১৪০০ টাকা
বোয়াল : ৬০০-৮০০ টাকা, কাতল : ৪০০-৫৫০ টাকা
পাবদা : ৪০০-৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া : ২২০ টাকা, কৈ : ২২০-২৩৫ টাকা
বাতাসি টেংরা : ১৩০০ টাকা, কাচকি : ৫০০ টাকা, পাঁচ মিশালি মাছ : ২২০ টাকা কেজি
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিশেষ অভিযানের সময় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৫
ইলিশ মাছ ধরা বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগেই রাজধানীর বাজারগুলোতে ইলিশের দাম চড়া হয়ে উঠেছে। ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর তালতলা ও শেওড়াপাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ ভালো থাকলেও দাম এক লাফে কেজিতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়ে গেছে।
বর্তমানে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকা, ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২০০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের বেশি ওজনের ইলিশ ১৬০০ টাকা, ৩০০ গ্রামের ইলিশ ১১০০ টাকা এবং ১৫০ থেকে ২০০ গ্রামের মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, ভরা মৌসুমেও সিন্ডিকেটের কারণে ইলিশের দাম নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে। তালতলা বাজারে ক্রেতা তোফাজ্জল সিকদার বলেন, “গত বছর এই সময় ইলিশের দাম অনেক কম ছিল। এবছর বড় মাছ বাজারে নেই। জাটকাও ৬০০-৭০০ টাকার নিচে মিলছে না। সরকারের উচিত সিন্ডিকেট ভাঙা, না হলে ভবিষ্যতে হয়তো ইলিশ আর চোখেই দেখবো না।”
শুধু ইলিশ নয়, অন্যান্য মাছের বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শিং মাছ (চাষা) : ৩৫০-৫৫০ টাকা, দেশি শিং : ১০০০-১২০০ টাকা
রুই : ৪০০-৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর : ৮০০-১০০০ টাকা
চাষা পাঙ্গাস : ২০০-২৩৫ টাকা, চিংড়ি : ৮০০-১৪০০ টাকা
বোয়াল : ৬০০-৮০০ টাকা, কাতল : ৪০০-৫৫০ টাকা
পাবদা : ৪০০-৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া : ২২০ টাকা, কৈ : ২২০-২৩৫ টাকা
বাতাসি টেংরা : ১৩০০ টাকা, কাচকি : ৫০০ টাকা, পাঁচ মিশালি মাছ : ২২০ টাকা কেজি
সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিশেষ অভিযানের সময় ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বিপণন ও মজুত সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন