শনিবার ডুমুরিয়া ও চুকনগর বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
বিক্রেতা মোসলেম উদ্দিন বলেন, “এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি আলু ২০–২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এখন তা ২৫–৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।” পাইকারিতে আলুর দাম কেজিতে ২৩ টাকা হলেও এক বস্তায় ৪–৫ কেজি পচা এবং ৮–১০ কেজি গুঁড়া (ছোট) আলু থাকায় বিক্রেতারা ৩০ টাকা দরে বিক্রি করেও লাভ করতে পারছেন না।
চুকনগর বাজারের বিক্রেতারা জানান, “কেজিতে ৭ টাকা দাম বাড়লেও তেমন লাভ হচ্ছে না। আলুর উৎপাদন বেশি হওয়ায় গত বছর দাম কমে গিয়েছিল, সেই প্রভাব এখনো বাজারে রয়েছে।” গত বছর এই সময়ে আলুর দাম ছিল ৬৫–৭৫ টাকা কেজি। বাজারে আসা নতুন আলু মানভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে তিন সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দামও বাড়তি। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে, যা তিন সপ্তাহ আগে ছিল ৫০–৬০ টাকা। বিক্রেতারা জানান, দেশি পেঁয়াজের মজুত শেষের দিকে এবং আমদানি বন্ধ থাকায় দাম বাড়তি থাকবে।
শীতের সবজি এলেও দাম কমেনি বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। গতকাল বাজারে ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হয়েছে ৪০–৫০ টাকা দরে, লাউ ৩০–৫০ টাকা, শিম ৬০–৮০ টাকা এবং টমেটো ১০০–১২০ টাকা কেজিতে। পালংশাকের দুই মুঠো গুচ্ছ বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়।
মুরগি, ডিম ও তেলের বাজারে অবশ্য তেমন পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০–১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ২৮০–৩০০ টাকা এবং এক ডজন ডিম ১২০–১৩০ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম স্থিতিশীল থাকলেও সরবরাহ কিছুটা কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা।
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, “শীতে সাধারণত সবজির দাম কমে, কিন্তু এবার এখনো কমার লক্ষণ নেই। দুই–তিন ধরনের সবজি কিনতেই ১৫০ টাকা লেগে যাচ্ছে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫
শনিবার ডুমুরিয়া ও চুকনগর বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
বিক্রেতা মোসলেম উদ্দিন বলেন, “এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি আলু ২০–২৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এখন তা ২৫–৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।” পাইকারিতে আলুর দাম কেজিতে ২৩ টাকা হলেও এক বস্তায় ৪–৫ কেজি পচা এবং ৮–১০ কেজি গুঁড়া (ছোট) আলু থাকায় বিক্রেতারা ৩০ টাকা দরে বিক্রি করেও লাভ করতে পারছেন না।
চুকনগর বাজারের বিক্রেতারা জানান, “কেজিতে ৭ টাকা দাম বাড়লেও তেমন লাভ হচ্ছে না। আলুর উৎপাদন বেশি হওয়ায় গত বছর দাম কমে গিয়েছিল, সেই প্রভাব এখনো বাজারে রয়েছে।” গত বছর এই সময়ে আলুর দাম ছিল ৬৫–৭৫ টাকা কেজি। বাজারে আসা নতুন আলু মানভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে তিন সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দামও বাড়তি। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে, যা তিন সপ্তাহ আগে ছিল ৫০–৬০ টাকা। বিক্রেতারা জানান, দেশি পেঁয়াজের মজুত শেষের দিকে এবং আমদানি বন্ধ থাকায় দাম বাড়তি থাকবে।
শীতের সবজি এলেও দাম কমেনি বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা। গতকাল বাজারে ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হয়েছে ৪০–৫০ টাকা দরে, লাউ ৩০–৫০ টাকা, শিম ৬০–৮০ টাকা এবং টমেটো ১০০–১২০ টাকা কেজিতে। পালংশাকের দুই মুঠো গুচ্ছ বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়।
মুরগি, ডিম ও তেলের বাজারে অবশ্য তেমন পরিবর্তন নেই। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০–১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ২৮০–৩০০ টাকা এবং এক ডজন ডিম ১২০–১৩০ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম স্থিতিশীল থাকলেও সরবরাহ কিছুটা কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা।
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, “শীতে সাধারণত সবজির দাম কমে, কিন্তু এবার এখনো কমার লক্ষণ নেই। দুই–তিন ধরনের সবজি কিনতেই ১৫০ টাকা লেগে যাচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন