আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, দুপুরে কাকরাইল মোড়ে পুলিশের হামলায় অনেক শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দিন এবং সহকারী প্রক্টরও। তাঁরা বলেন, দাবি আদায় এবং পুলিশের হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বিক্ষোভকারীদের তিন দফা দাবি হলো:
১. বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি কার্যকর করা,
২. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন করা,
৩. দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় অনুমোদন দিয়ে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা।
লংমার্চের অংশ হিসেবে আজ দুপুরে শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে কাকরাইলের দিকে রওনা হন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কাকরাইল মসজিদের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে শিক্ষার্থীরা কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নেয়।
এ বিষয়ে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম জানান, যমুনা অভিমুখে যাওয়ার অনুমতি নেই, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। আইন ভঙ্গ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে আন্দোলনে ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা কাকরাইলে অবস্থান চালিয়ে যাবেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৫
আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, দুপুরে কাকরাইল মোড়ে পুলিশের হামলায় অনেক শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দিন এবং সহকারী প্রক্টরও। তাঁরা বলেন, দাবি আদায় এবং পুলিশের হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
বিক্ষোভকারীদের তিন দফা দাবি হলো:
১. বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে আবাসন বৃত্তি কার্যকর করা,
২. বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ বাজেট কাটছাঁট না করে অনুমোদন করা,
৩. দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ একনেক সভায় অনুমোদন দিয়ে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করা।
লংমার্চের অংশ হিসেবে আজ দুপুরে শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে কাকরাইলের দিকে রওনা হন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কাকরাইল মসজিদের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে শিক্ষার্থীরা কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নেয়।
এ বিষয়ে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম জানান, যমুনা অভিমুখে যাওয়ার অনুমতি নেই, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। আইন ভঙ্গ হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে আন্দোলনে ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও অংশ নেন। আন্দোলনকারীরা জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা কাকরাইলে অবস্থান চালিয়ে যাবেন।

আপনার মতামত লিখুন