গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা, ২০ মে[/caption]
গত ২০ মে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হন গায়ক নোবেল। মামলার বাদী নারীর অভিযোগ, নোবেল তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক বাসায় আটকে রেখে দীর্ঘ সাত মাস ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন চালান। পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করেন।
ঢাকার ডেমরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. মুরাদ হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে—২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাদীর সঙ্গে নোবেলের পরিচয় হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। গত বছরের ১২ নভেম্বর নোবেলের স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ওই নারীকে ডেমরায় একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে নোবেলের বিরুদ্ধে।
গ্রেপ্তারের পর আদালতে নোবেলের আইনজীবী দাবি করেন, মামলার বাদী নারীই নোবেলের স্ত্রী। তিনি ধর্ষণ করেননি, বরং স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করেছেন। তবে ওই দাবি প্রমাণে কাবিননামা বা বৈধ বিয়ের কোনো কাগজপত্র আদালতে দাখিল করতে পারেননি আইনজীবী। মামলার তদন্তে জানা গেছে, যাত্রাবাড়ীর একটি বাসায় মৌখিকভাবে বিয়ে পড়ানোর একটি ঘটনা ঘটেছিল, তবে তা নিবন্ধিত ছিল না।
বাদী নারীকে আটকে রাখার বিষয়টি ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে পরিবারের নজরে আসে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর মা–বাবা ঢাকায় এসে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন। এর পরদিন (১৯ মে) মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার শুনানিতে উভয় পক্ষ আদালতে বিয়েতে সম্মতি দিলে আদালত লিখিত আবেদন গ্রহণ করে। বিচারক বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এর ফলে আইনগতভাবে গায়ক নোবেল এখন জেল হেফাজত থেকেই বাদী নারীকে বিয়ে করতে পারবেন।
গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেল রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পান। এর পর থেকে নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেও এবার প্রথমবারের মতো তাঁকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো গুরুতর মামলায় গ্রেপ্তার হতে হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৫
গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা, ২০ মে[/caption]
গত ২০ মে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হন গায়ক নোবেল। মামলার বাদী নারীর অভিযোগ, নোবেল তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক বাসায় আটকে রেখে দীর্ঘ সাত মাস ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন চালান। পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করেন।
ঢাকার ডেমরা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. মুরাদ হোসেন জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে—২০১৮ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাদীর সঙ্গে নোবেলের পরিচয় হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। গত বছরের ১২ নভেম্বর নোবেলের স্টুডিও দেখানোর কথা বলে ওই নারীকে ডেমরায় একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে নোবেলের বিরুদ্ধে।
গ্রেপ্তারের পর আদালতে নোবেলের আইনজীবী দাবি করেন, মামলার বাদী নারীই নোবেলের স্ত্রী। তিনি ধর্ষণ করেননি, বরং স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করেছেন। তবে ওই দাবি প্রমাণে কাবিননামা বা বৈধ বিয়ের কোনো কাগজপত্র আদালতে দাখিল করতে পারেননি আইনজীবী। মামলার তদন্তে জানা গেছে, যাত্রাবাড়ীর একটি বাসায় মৌখিকভাবে বিয়ে পড়ানোর একটি ঘটনা ঘটেছিল, তবে তা নিবন্ধিত ছিল না।
বাদী নারীকে আটকে রাখার বিষয়টি ভাইরাল ভিডিওর মাধ্যমে পরিবারের নজরে আসে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর মা–বাবা ঢাকায় এসে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন। এর পরদিন (১৯ মে) মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার শুনানিতে উভয় পক্ষ আদালতে বিয়েতে সম্মতি দিলে আদালত লিখিত আবেদন গ্রহণ করে। বিচারক বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। এর ফলে আইনগতভাবে গায়ক নোবেল এখন জেল হেফাজত থেকেই বাদী নারীকে বিয়ে করতে পারবেন।
গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেল রিয়্যালিটি শো ‘সারেগামাপা’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পান। এর পর থেকে নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেও এবার প্রথমবারের মতো তাঁকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো গুরুতর মামলায় গ্রেপ্তার হতে হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন