দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে লাখো মানুষের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয়েছে, তা আজ নতুন ষড়যন্ত্রে হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
বক্তারা বলেন, বিএনপি বিগত সময়জুড়ে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিরলস ভূমিকা রেখে আসছে। অথচ একে নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা গভীর ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ। লন্ডন বৈঠকের পর থেকে দেশি-বিদেশি অপশক্তির মদদে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারও বেড়েছে বলে তারা দাবি করেন।
সমাবেশে বক্তারা পুরান ঢাকার মিডফোর্ডের বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা এবং নির্বাচন বিলম্বিত করার কৌশলকে ‘সিলেক্টিভ প্রতিবাদ’ হিসেবে আখ্যা দেন।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে মনোনয়ন দেওয়াকে গণতান্ত্রিক জাতীয় স্বার্থে একটি সাহসী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।
বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন—বাকসুর সাবেক ভিপি কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন চঞ্চল,
কৃষিবিদ শাহাদত হোসেন বিপ্লব (যুগ্ম সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী কৃষকদল),ডা. বয়জার রহমান, ডা. আব্দুল মান্নান, ডা. আতিকুর রহমান, ডা. মো. শাহাদত হোসেন শোভন, মকবুল হোসেন মুকুল, কৃষিবিদ আমানুল্লাহ, কৃষিবিদ সাইফুল্লাহ আজাদ, কৃষিবিদ আশরাফুল ইসলাম মিন্টু, কৃষিবিদ এমদাদুল হক দুলু, কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন সুজন, কৃষিবিদ নবিন, কৃষিবিদ সাজ্জাদ,
কৃষিবিদ মাসুম, কৃষিবিদ গুলজার আহমেদ, কৃষিবিদ মকবুল হোসেন, কৃষিবিদ নাহিদ, কৃষিবিদ সৈকত, কৃষিবিদ আকিব আবরার, কৃষিবিদ শাহজালাল, কৃষিবিদ রাজিব, কৃষিবিদ শওকত ওসমান শামীম এবং কৃষি খাতের অন্যান্য বিশিষ্টজন।
কৃষিবিদ শাহাদত হোসেন বিপ্লব এর তত্ত্বাবধানে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৫
দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে লাখো মানুষের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে যে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয়েছে, তা আজ নতুন ষড়যন্ত্রে হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
বক্তারা বলেন, বিএনপি বিগত সময়জুড়ে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিরলস ভূমিকা রেখে আসছে। অথচ একে নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা গভীর ষড়যন্ত্রেরই বহিঃপ্রকাশ। লন্ডন বৈঠকের পর থেকে দেশি-বিদেশি অপশক্তির মদদে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারও বেড়েছে বলে তারা দাবি করেন।
সমাবেশে বক্তারা পুরান ঢাকার মিডফোর্ডের বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাতীয় অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা এবং নির্বাচন বিলম্বিত করার কৌশলকে ‘সিলেক্টিভ প্রতিবাদ’ হিসেবে আখ্যা দেন।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে মনোনয়ন দেওয়াকে গণতান্ত্রিক জাতীয় স্বার্থে একটি সাহসী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।
বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন—বাকসুর সাবেক ভিপি কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন চঞ্চল,
কৃষিবিদ শাহাদত হোসেন বিপ্লব (যুগ্ম সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী কৃষকদল),ডা. বয়জার রহমান, ডা. আব্দুল মান্নান, ডা. আতিকুর রহমান, ডা. মো. শাহাদত হোসেন শোভন, মকবুল হোসেন মুকুল, কৃষিবিদ আমানুল্লাহ, কৃষিবিদ সাইফুল্লাহ আজাদ, কৃষিবিদ আশরাফুল ইসলাম মিন্টু, কৃষিবিদ এমদাদুল হক দুলু, কৃষিবিদ সোহরাব হোসেন সুজন, কৃষিবিদ নবিন, কৃষিবিদ সাজ্জাদ,
কৃষিবিদ মাসুম, কৃষিবিদ গুলজার আহমেদ, কৃষিবিদ মকবুল হোসেন, কৃষিবিদ নাহিদ, কৃষিবিদ সৈকত, কৃষিবিদ আকিব আবরার, কৃষিবিদ শাহজালাল, কৃষিবিদ রাজিব, কৃষিবিদ শওকত ওসমান শামীম এবং কৃষি খাতের অন্যান্য বিশিষ্টজন।
কৃষিবিদ শাহাদত হোসেন বিপ্লব এর তত্ত্বাবধানে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন