তিনি আজ বিকেলে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএইউএসটি) প্রফেসর ড. এম এইচ খান অডিটোরিয়ামে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আন্দোলনে আহত ও অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমি আপনাদের স্যালুট জানাই। আপনাদের সাহসিকতার কারণেই আজ আমরা এই দিনটি স্মরণ করছি। গণতন্ত্র আমাদের কেউ উপহার দেয়নি। এটি আপনাদের কণ্ঠস্বরের ফসল। সেই কণ্ঠস্বরের প্রতি আমাদের সম্মান দেখাতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নিজেও আন্দোলনের সময় ‘ক্ষুব্ধ নারী সমাজ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রাজপথে ছিলাম। ২০১৮ সালের ছাত্র আন্দোলনের প্রস্তুতিই পরবর্তীতে বৃহৎ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ভিত রচনা করেছিল।”
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, “দেশের ভেতরে ও বাইরে ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা কোনো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হতে চাই না। নতুন প্রজন্মই এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
তিনি বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের রক্তের বিনিময়েই অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং এ সময়ে জনস্বার্থে ভালো কাজ করে যেতে হবে। সেই ভালো কাজগুলো রক্ষা করা ছাত্র-জনতার দায়িত্ব।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এএইউএসটি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহ. মাহবুবুর রহমান।
জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাফি আহম্মেদ উল্লাহ, আরেফিন ফয়সাল আলভী, তৌহিদ হাসান রিমন ও মোস্তাকিম বিল্লাহ শ্রেষ্ঠ।
অনুষ্ঠান শেষে বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত স্থিরচিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৫
তিনি আজ বিকেলে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএইউএসটি) প্রফেসর ড. এম এইচ খান অডিটোরিয়ামে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আন্দোলনে আহত ও অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমি আপনাদের স্যালুট জানাই। আপনাদের সাহসিকতার কারণেই আজ আমরা এই দিনটি স্মরণ করছি। গণতন্ত্র আমাদের কেউ উপহার দেয়নি। এটি আপনাদের কণ্ঠস্বরের ফসল। সেই কণ্ঠস্বরের প্রতি আমাদের সম্মান দেখাতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নিজেও আন্দোলনের সময় ‘ক্ষুব্ধ নারী সমাজ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রাজপথে ছিলাম। ২০১৮ সালের ছাত্র আন্দোলনের প্রস্তুতিই পরবর্তীতে বৃহৎ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ভিত রচনা করেছিল।”
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, “দেশের ভেতরে ও বাইরে ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা কোনো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হতে চাই না। নতুন প্রজন্মই এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
তিনি বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের রক্তের বিনিময়েই অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। এই সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং এ সময়ে জনস্বার্থে ভালো কাজ করে যেতে হবে। সেই ভালো কাজগুলো রক্ষা করা ছাত্র-জনতার দায়িত্ব।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এএইউএসটি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান ও উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহ. মাহবুবুর রহমান।
জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাফি আহম্মেদ উল্লাহ, আরেফিন ফয়সাল আলভী, তৌহিদ হাসান রিমন ও মোস্তাকিম বিল্লাহ শ্রেষ্ঠ।
অনুষ্ঠান শেষে বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত স্থিরচিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

আপনার মতামত লিখুন