সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অনেক কৃষক কোমর পানি ও কাদার ভেতর থেকে পচে যাওয়া আলুবীজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ পুনরায় জমি প্রস্তুত করে আবার রোপণ করতে চাইলেও বীজ পচে যাওয়ায় সেটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলা সাহাপুর গ্রামের
আলুচাষী নূর আফতাব বলেন, “পাঁচ বিঘা জমিতে আগাম আলু দিয়েছিলাম। এখন একেবারে নষ্ট। জমি থেকে আলুবীজ তুলেও দেখি পচে গেছে।”
একই অভিযোগ এলাকার আরও অনেক কৃষকের। তারা জানান, বৃষ্টির পানি নামার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কৃষকদের দাবি, সরকারি সহায়তা এবং ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করে দ্রুত পুনঃরোপণের ব্যবস্থা না হলে তাদের এই মৌসুমটি পুরোপুরি ক্ষতিতে যাবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জয়পুরহাটের উপ- পরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম জানান, আমরা মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করছি। কৃষকদের পাশে থাকব এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৫
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, অনেক কৃষক কোমর পানি ও কাদার ভেতর থেকে পচে যাওয়া আলুবীজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ পুনরায় জমি প্রস্তুত করে আবার রোপণ করতে চাইলেও বীজ পচে যাওয়ায় সেটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সদর উপজেলা সাহাপুর গ্রামের
আলুচাষী নূর আফতাব বলেন, “পাঁচ বিঘা জমিতে আগাম আলু দিয়েছিলাম। এখন একেবারে নষ্ট। জমি থেকে আলুবীজ তুলেও দেখি পচে গেছে।”
একই অভিযোগ এলাকার আরও অনেক কৃষকের। তারা জানান, বৃষ্টির পানি নামার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কৃষকদের দাবি, সরকারি সহায়তা এবং ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করে দ্রুত পুনঃরোপণের ব্যবস্থা না হলে তাদের এই মৌসুমটি পুরোপুরি ক্ষতিতে যাবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জয়পুরহাটের উপ- পরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম জানান, আমরা মাঠপর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করছি। কৃষকদের পাশে থাকব এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
আপনার মতামত লিখুন