কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া বাজারের মেসার্স কৃষি ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী সরদার মনিরুজ্জামান। এতে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ জন কৃষি পণ্য রিটেইলার অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনজেন্টা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের রিজিওনাল ম্যানেজার মোহাম্মদ জাহিদ হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র টেরিটোরি অফিসার কে. এম. বদিউজ্জামান হৃদয়, এসএপিও মো. আল মামুন, পরিবেশক মো. আজহারুল ইসলাম এবং ডুমুরিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন।
বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বীজ, সঠিক সার ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষিত রিটেইলারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আলোচনা শেষে রিটেইলারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
কর্মশালায় সিনজেন্টা কোম্পানির প্রতিনিধিরা হাইব্রিড ধান বীজ উৎপাদন, রোপণ, সার ব্যবস্থাপনা ও সেচ পদ্ধতি নিয়ে বিশদ দিকনির্দেশনা দেন।
হাইব্রিড ধানের বীজ প্রথমে প্যাকেট থেকে বের করে ৩০ দিন ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে। পরে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ১০–১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং আরও ১০–১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে পানি নিংড়ে ফেলতে হবে।
প্রতি একরে প্রয়োজন ৫ কেজি বীজ।
জমি সমান করে প্রতি শতাংশে ১ কেজি পচা গোবর, ৩০০ গ্রাম টিএসপি, ৬০০ গ্রাম এমপি এবং ৪০০ গ্রাম জিপসাম সার মিশিয়ে বেড তৈরি করতে হবে। প্রতিটি বেডের প্রস্থ ১ মিটার এবং বেডের মধ্যে ৫০ সেন্টিমিটার ফাঁক রাখতে হবে।
২৫–৩০ দিন বয়সী চারা ৮ ইঞ্চি দূরত্বে সারি করে রোপণ করতে হবে। প্রতি সারিতে ৬ ইঞ্চি ব্যবধানে একটি করে সুস্থ চারা লাগাতে হবে।
১ম উপরি প্রয়োগ: রোপণের ১৫–২০ দিন পর
২য় উপরি প্রয়োগ: রোপণের ৩০–৩৫ দিন পর
৩য় উপরি প্রয়োগ: রোপণের ৪০–৪৫ দিন পর
প্রতি একরে ১.৫ কেজি “ম্যাগমা” ও ৬ কেজি “গ্লোজিন” সার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।
চারা রোপণের সময় ২–৩ সেমি পানি রাখতে হবে। পরবর্তীতে ১০–১৫ দিন পর্যন্ত ২–৪ সেমি পানি ধরে রাখা ও কুশি পর্যায়ে জমি শুকিয়ে পুনরায় সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফসল পাকার ১০ দিন আগে জমি থেকে পানি বের করে দিতে হবে।
প্রয়োজনে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
ফুল আসার ৩০–৩২ দিন পর শতকরা ৮৫ ভাগ ধান সোনালি বর্ণ ধারণ করলে ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৫
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া বাজারের মেসার্স কৃষি ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী সরদার মনিরুজ্জামান। এতে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ জন কৃষি পণ্য রিটেইলার অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনজেন্টা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের রিজিওনাল ম্যানেজার মোহাম্মদ জাহিদ হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র টেরিটোরি অফিসার কে. এম. বদিউজ্জামান হৃদয়, এসএপিও মো. আল মামুন, পরিবেশক মো. আজহারুল ইসলাম এবং ডুমুরিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন।
বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বীজ, সঠিক সার ব্যবস্থাপনা ও প্রশিক্ষিত রিটেইলারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আলোচনা শেষে রিটেইলারদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
কর্মশালায় সিনজেন্টা কোম্পানির প্রতিনিধিরা হাইব্রিড ধান বীজ উৎপাদন, রোপণ, সার ব্যবস্থাপনা ও সেচ পদ্ধতি নিয়ে বিশদ দিকনির্দেশনা দেন।
হাইব্রিড ধানের বীজ প্রথমে প্যাকেট থেকে বের করে ৩০ দিন ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে। পরে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ১০–১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং আরও ১০–১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে পানি নিংড়ে ফেলতে হবে।
প্রতি একরে প্রয়োজন ৫ কেজি বীজ।
জমি সমান করে প্রতি শতাংশে ১ কেজি পচা গোবর, ৩০০ গ্রাম টিএসপি, ৬০০ গ্রাম এমপি এবং ৪০০ গ্রাম জিপসাম সার মিশিয়ে বেড তৈরি করতে হবে। প্রতিটি বেডের প্রস্থ ১ মিটার এবং বেডের মধ্যে ৫০ সেন্টিমিটার ফাঁক রাখতে হবে।
২৫–৩০ দিন বয়সী চারা ৮ ইঞ্চি দূরত্বে সারি করে রোপণ করতে হবে। প্রতি সারিতে ৬ ইঞ্চি ব্যবধানে একটি করে সুস্থ চারা লাগাতে হবে।
১ম উপরি প্রয়োগ: রোপণের ১৫–২০ দিন পর
২য় উপরি প্রয়োগ: রোপণের ৩০–৩৫ দিন পর
৩য় উপরি প্রয়োগ: রোপণের ৪০–৪৫ দিন পর
প্রতি একরে ১.৫ কেজি “ম্যাগমা” ও ৬ কেজি “গ্লোজিন” সার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।
চারা রোপণের সময় ২–৩ সেমি পানি রাখতে হবে। পরবর্তীতে ১০–১৫ দিন পর্যন্ত ২–৪ সেমি পানি ধরে রাখা ও কুশি পর্যায়ে জমি শুকিয়ে পুনরায় সেচ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ফসল পাকার ১০ দিন আগে জমি থেকে পানি বের করে দিতে হবে।
প্রয়োজনে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
ফুল আসার ৩০–৩২ দিন পর শতকরা ৮৫ ভাগ ধান সোনালি বর্ণ ধারণ করলে ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।

আপনার মতামত লিখুন