তিনি বলেন, “তথাকথিত প্রথাগত রাজনীতি দেশ ও জাতিকে খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, লুটপাট ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি। জনগণ গণবিরোধী এই গোষ্ঠীকে বহু আগেই হলুদ কার্ড দেখিয়েছে। মিডফোর্টের ঘটনায় তাদেরকে এবার লাল কার্ড দেখানো হয়েছে।”
সোমবার (১৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতের ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ও পল্লবী জোন পরিচালক অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইফসুর সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। বক্তব্য দেন রূপনগর থানার আমীর আবু হানিফ, পল্লবী দক্ষিণ থানার আমীর আশরাফুল আলম, পল্লবী মধ্য থানার আমীর রইসুল ইসলাম পবন, ও পল্লবী উত্তর থানার আমীর মাওলানা সাইফুল কাদের।
সমাবেশ শেষে পল্লবী থেকে মিরপুর ১০ পর্যন্ত একটি বিশাল মিছিল বের হয়, যার নেতৃত্ব দেন মো. সেলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লব ইতিবাচক রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেছে। অপরাজনীতির ধারকরা এখন প্রলাপ বকতে শুরু করেছে। তাদের স্লোগান হচ্ছে ‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’। কিন্তু বাস্তবায়িত হলে সবচেয়ে আগে তাদেরই একদলকে দিল্লি আর অন্যদলকে পিন্ডি যেতে হবে। কারণ, রাজাকারের তালিকায় তাদের নামই সবচেয়ে বেশি।”
আগস্ট বিপ্লবের প্রসঙ্গে সেলিম উদ্দিন বলেন, “তাদের হাতে একটি মোক্ষম সুযোগ ছিল, কর্মীদের নৈতিকভাবে গড়ার। কিন্তু তারা সেই সুযোগ কাজে লাগায়নি। বরং দলকে পরিণত করেছে চাঁদাবাজ ও দখলদারদের অভয়ারণ্যে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “চাঁদাবাজি ও দলীয় দ্বন্দ্বে ইতিমধ্যেই তাদের দলের দেড় শতাধিক কর্মী প্রাণ হারিয়েছে। মিডফোর্টের ঘটনা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ।”
পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, জনগণের জানমালের রক্ষক। আওয়ামী-বাকশালী পুলিশের মতো আচরণ করবেন না। মিডফোর্টের ঘটনায় যাদের দল বহিষ্কার করেছে, তাদেরকে পুলিশ দলের সদস্য বলেই স্বীকার করছে না। এমন দালাল পুলিশদের নির্বাচনকালীন দায়িত্বে রাখা যাবে না।”
সেলিম উদ্দিন আগামী ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৫
তিনি বলেন, “তথাকথিত প্রথাগত রাজনীতি দেশ ও জাতিকে খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, লুটপাট ছাড়া কিছুই দিতে পারেনি। জনগণ গণবিরোধী এই গোষ্ঠীকে বহু আগেই হলুদ কার্ড দেখিয়েছে। মিডফোর্টের ঘটনায় তাদেরকে এবার লাল কার্ড দেখানো হয়েছে।”
সোমবার (১৭ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতের ইউনিট দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ও পল্লবী জোন পরিচালক অধ্যক্ষ নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইফসুর সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। বক্তব্য দেন রূপনগর থানার আমীর আবু হানিফ, পল্লবী দক্ষিণ থানার আমীর আশরাফুল আলম, পল্লবী মধ্য থানার আমীর রইসুল ইসলাম পবন, ও পল্লবী উত্তর থানার আমীর মাওলানা সাইফুল কাদের।
সমাবেশ শেষে পল্লবী থেকে মিরপুর ১০ পর্যন্ত একটি বিশাল মিছিল বের হয়, যার নেতৃত্ব দেন মো. সেলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লব ইতিবাচক রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেছে। অপরাজনীতির ধারকরা এখন প্রলাপ বকতে শুরু করেছে। তাদের স্লোগান হচ্ছে ‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’। কিন্তু বাস্তবায়িত হলে সবচেয়ে আগে তাদেরই একদলকে দিল্লি আর অন্যদলকে পিন্ডি যেতে হবে। কারণ, রাজাকারের তালিকায় তাদের নামই সবচেয়ে বেশি।”
আগস্ট বিপ্লবের প্রসঙ্গে সেলিম উদ্দিন বলেন, “তাদের হাতে একটি মোক্ষম সুযোগ ছিল, কর্মীদের নৈতিকভাবে গড়ার। কিন্তু তারা সেই সুযোগ কাজে লাগায়নি। বরং দলকে পরিণত করেছে চাঁদাবাজ ও দখলদারদের অভয়ারণ্যে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “চাঁদাবাজি ও দলীয় দ্বন্দ্বে ইতিমধ্যেই তাদের দলের দেড় শতাধিক কর্মী প্রাণ হারিয়েছে। মিডফোর্টের ঘটনা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ।”
পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, জনগণের জানমালের রক্ষক। আওয়ামী-বাকশালী পুলিশের মতো আচরণ করবেন না। মিডফোর্টের ঘটনায় যাদের দল বহিষ্কার করেছে, তাদেরকে পুলিশ দলের সদস্য বলেই স্বীকার করছে না। এমন দালাল পুলিশদের নির্বাচনকালীন দায়িত্বে রাখা যাবে না।”
সেলিম উদ্দিন আগামী ১৯ জুলাই জাতীয় সমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন