চট্টগ্রাম, শনিবার (১৯ জুলাই ২০২৫):
যারা ভোট চান না, তাদের রাজনৈতিক দল করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, "নির্বাচন করবেন না, জনগণের কাছে যেতে চান না, অথচ বলবেন আপনি রাজনৈতিক দল— এটা তো হতে পারে না। রাজনীতি মানেই জনগণের কাছে যাওয়া।"
তিনি এসব কথা বলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় নগরীর লালখান বাজার সংলগ্ন লেডিস ক্লাবে।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সমিতির আহ্বায়ক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম টিপু। পরিচালনায় ছিলেন সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোবারক আলী ও খন্দকিয়া চিকনদন্ডী স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহিদা আক্তার।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া। এছাড়া উদ্বোধন করেন শিক্ষক সমিতির মহাসচিব ও ঐক্যজোটের অতিরিক্ত মহাসচিব মো. জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, এম এ ছফা চৌধুরী ও হোসাইনুল ইসলাম মাতব্বর।
আমীর খসরু বলেন, "লন্ডনে তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের বৈঠক অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের মালিকানা ফিরে পেতে চায়। দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।"
তিনি আরও বলেন, "গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও সম্মাননির্ভর একটি বাংলাদেশ গড়তে হলে নির্বাচিত সংসদ ও সরকার ছাড়া বিকল্প নেই। অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক প্রতিনিধি নয়, তাদের কাজ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া।"
বিএনপি নেতা বলেন, "বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা রাজনীতিকরণের শিকার। বিগত ১৫–১৬ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থা একটি পরিবার ও দলের আদর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে, যা ভয়াবহ। শিক্ষা কোনো দলের হাতিয়ার নয়, এটি জাতি গঠনের মাধ্যম।"
তিনি শিক্ষকদের আর্থিক বৈষম্যের কথাও তুলে ধরেন। বলেন, "একই পাঠ্যসূচিতে পড়ানো হলেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য অযৌক্তিক। এই বৈষম্য দূর করতে হবে।"
"মানুষ এখন বক্তৃতা শোনে না। তাদের সময়ের মূল্য আছে। মানুষের প্রত্যাশা ধারণ করতে না পারলে কোনো দলের ভবিষ্যৎ নেই," — বলেন খসরু।
তিনি জানান, তার রাজনীতিতে থাকার মূল কারণ হলো— নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা গড়া এবং তারেক রহমানের দেওয়া পরিবর্তনের বার্তা বাস্তবায়ন।
প্রধান বক্তা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, "সরকারি স্কুল ছাড়া অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনে আমরা আদালতে যাবো।"
তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মৌলবাদী দলের লোকদের বসানো হয়েছে, যারা বদলির দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের লোক বসাচ্ছে।
রাঙ্গুনিয়ার আহ্বায়ক অধ্যাপক কুতুবউদ্দিন বাহার, শিক্ষক নেতা মো. হাবিব উল্লাহ, আবদুল হক, নুরুল আলম রাজু, নাজিম উদ্দীন, জসিম উদ্দিন, ফজলুল করিম সাঈদ, আবু জাফর মো. সাদেক, রেজাউল করিম, মো. আলমগীর, গিয়াস উদ্দিন, মো. জামাল শাহ, মো. আইয়ুব প্রমুখ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৫
চট্টগ্রাম, শনিবার (১৯ জুলাই ২০২৫):
যারা ভোট চান না, তাদের রাজনৈতিক দল করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, "নির্বাচন করবেন না, জনগণের কাছে যেতে চান না, অথচ বলবেন আপনি রাজনৈতিক দল— এটা তো হতে পারে না। রাজনীতি মানেই জনগণের কাছে যাওয়া।"
তিনি এসব কথা বলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় নগরীর লালখান বাজার সংলগ্ন লেডিস ক্লাবে।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সমিতির আহ্বায়ক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম টিপু। পরিচালনায় ছিলেন সদস্য সচিব মোহাম্মদ মোবারক আলী ও খন্দকিয়া চিকনদন্ডী স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহিদা আক্তার।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়া। এছাড়া উদ্বোধন করেন শিক্ষক সমিতির মহাসচিব ও ঐক্যজোটের অতিরিক্ত মহাসচিব মো. জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, এম এ ছফা চৌধুরী ও হোসাইনুল ইসলাম মাতব্বর।
আমীর খসরু বলেন, "লন্ডনে তারেক রহমান ও ড. ইউনূসের বৈঠক অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের মালিকানা ফিরে পেতে চায়। দ্বিতীয় কোনো পথ নেই।"
তিনি আরও বলেন, "গণতন্ত্র, স্থিতিশীলতা ও সম্মাননির্ভর একটি বাংলাদেশ গড়তে হলে নির্বাচিত সংসদ ও সরকার ছাড়া বিকল্প নেই। অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক প্রতিনিধি নয়, তাদের কাজ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া।"
বিএনপি নেতা বলেন, "বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা রাজনীতিকরণের শিকার। বিগত ১৫–১৬ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থা একটি পরিবার ও দলের আদর্শের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে, যা ভয়াবহ। শিক্ষা কোনো দলের হাতিয়ার নয়, এটি জাতি গঠনের মাধ্যম।"
তিনি শিক্ষকদের আর্থিক বৈষম্যের কথাও তুলে ধরেন। বলেন, "একই পাঠ্যসূচিতে পড়ানো হলেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য অযৌক্তিক। এই বৈষম্য দূর করতে হবে।"
"মানুষ এখন বক্তৃতা শোনে না। তাদের সময়ের মূল্য আছে। মানুষের প্রত্যাশা ধারণ করতে না পারলে কোনো দলের ভবিষ্যৎ নেই," — বলেন খসরু।
তিনি জানান, তার রাজনীতিতে থাকার মূল কারণ হলো— নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা গড়া এবং তারেক রহমানের দেওয়া পরিবর্তনের বার্তা বাস্তবায়ন।
প্রধান বক্তা অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া বলেন, "সরকারি স্কুল ছাড়া অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রয়োজনে আমরা আদালতে যাবো।"
তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মৌলবাদী দলের লোকদের বসানো হয়েছে, যারা বদলির দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের লোক বসাচ্ছে।
রাঙ্গুনিয়ার আহ্বায়ক অধ্যাপক কুতুবউদ্দিন বাহার, শিক্ষক নেতা মো. হাবিব উল্লাহ, আবদুল হক, নুরুল আলম রাজু, নাজিম উদ্দীন, জসিম উদ্দিন, ফজলুল করিম সাঈদ, আবু জাফর মো. সাদেক, রেজাউল করিম, মো. আলমগীর, গিয়াস উদ্দিন, মো. জামাল শাহ, মো. আইয়ুব প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন