শুক্রবার (২৫ জুলাই) নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। জামায়াত একটি আদর্শবাদী ও মানবিক রাজনৈতিক সংগঠন। জাতির সংকটে জামায়াত সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে এবং থাকবে।”
তিনি বলেন, জামায়াত কেন্দ্রীয়ভাবে আমীরে জামায়াতের নেতৃত্বে এবং মহানগর পর্যায়ে প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে দুর্ঘটনার পর পরই ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। জামায়াতের এম্বুলেন্স সেবা ও জরুরি চিকিৎসা সহায়তা ছাড়াও ২০ জন প্লাস্টিক সার্জনকে তাৎক্ষণিকভাবে নিয়োজিত করা হয়। আহত ও নিহতদের পরিবারকে সহায়তায় ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও ইবনে সিনা হাসপাতালকে জামায়াতের পক্ষ থেকে ফ্রি চিকিৎসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, “একটি পক্ষ নিজেদের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে জাতির ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তারা অহেতুক ইস্যু তৈরি করে জাতিকে বিভক্ত করতে চায়। অথচ জামায়াত কখনোই বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমরা সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যের রাজনীতিতে বিশ্বাসী।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে একটি পক্ষ স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে। তারা ‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’ স্লোগান দিচ্ছে। অথচ এদের মধ্যেই রাজাকারের গন্ধ লুকিয়ে আছে। আওয়ামী লীগ আমলে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় তাদেরই সবচেয়ে বেশি নাম ছিল।”
সরকারকে সতর্কবার্তা
জামায়াত নেতা বলেন, “স্বৈরাচারবিরোধী স্লোগানের আড়ালে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায়, এজন্য সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু ধৈর্য ধরলেই চলবে না, কঠোর অবস্থান নিতে হবে।” তিনি নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে ইতিবাচক রাজনৈতিক ধারায় ফিরে আসার আহ্বান জানান এবং বলেন, “না হলে হাসিনার মতো পালানোর সময়ও পাবে না।”
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
সেলিম উদ্দিনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম, তুরাগ মধ্য থানা আমীর গাজী মনির হোসাইন, দক্ষিণ থানা আমীর আবু বকর সিদ্দিক, থানা নায়েবে আমীর কামরুল হাসান, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সুরুজ্জামান, ডা. দেলোয়ার হোসাইন, জুলফিকার, সাখাওয়াত হোসেনসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৫
শুক্রবার (২৫ জুলাই) নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। জামায়াত একটি আদর্শবাদী ও মানবিক রাজনৈতিক সংগঠন। জাতির সংকটে জামায়াত সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে এবং থাকবে।”
তিনি বলেন, জামায়াত কেন্দ্রীয়ভাবে আমীরে জামায়াতের নেতৃত্বে এবং মহানগর পর্যায়ে প্রতিনিধিদল পাঠিয়ে দুর্ঘটনার পর পরই ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে। জামায়াতের এম্বুলেন্স সেবা ও জরুরি চিকিৎসা সহায়তা ছাড়াও ২০ জন প্লাস্টিক সার্জনকে তাৎক্ষণিকভাবে নিয়োজিত করা হয়। আহত ও নিহতদের পরিবারকে সহায়তায় ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল ও ইবনে সিনা হাসপাতালকে জামায়াতের পক্ষ থেকে ফ্রি চিকিৎসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, “একটি পক্ষ নিজেদের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ চরিতার্থ করতে জাতির ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। তারা অহেতুক ইস্যু তৈরি করে জাতিকে বিভক্ত করতে চায়। অথচ জামায়াত কখনোই বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। আমরা সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যের রাজনীতিতে বিশ্বাসী।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে একটি পক্ষ স্বৈরাচারের ভাষায় কথা বলছে। তারা ‘দিল্লি গেছে স্বৈরাচার, পিন্ডি যাবে রাজাকার’ স্লোগান দিচ্ছে। অথচ এদের মধ্যেই রাজাকারের গন্ধ লুকিয়ে আছে। আওয়ামী লীগ আমলে প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় তাদেরই সবচেয়ে বেশি নাম ছিল।”
সরকারকে সতর্কবার্তা
জামায়াত নেতা বলেন, “স্বৈরাচারবিরোধী স্লোগানের আড়ালে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ না পায়, এজন্য সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু ধৈর্য ধরলেই চলবে না, কঠোর অবস্থান নিতে হবে।” তিনি নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে ইতিবাচক রাজনৈতিক ধারায় ফিরে আসার আহ্বান জানান এবং বলেন, “না হলে হাসিনার মতো পালানোর সময়ও পাবে না।”
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
সেলিম উদ্দিনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম, তুরাগ মধ্য থানা আমীর গাজী মনির হোসাইন, দক্ষিণ থানা আমীর আবু বকর সিদ্দিক, থানা নায়েবে আমীর কামরুল হাসান, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সুরুজ্জামান, ডা. দেলোয়ার হোসাইন, জুলফিকার, সাখাওয়াত হোসেনসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন