বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে আর কোনোদিন রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আজ জেগে উঠেছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এখন পরিবর্তনের জোয়ার।”
রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত ছাত্র-সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের সামনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এই বাংলাদেশকে নতুন করে তৈরি করার। আজকের সমাবেশে সারাদেশ থেকে তরুণেরা এসেছে। এটা অত্যন্ত আনন্দের, একইসঙ্গে কষ্টেরও দিন। গত বছর এই দিনে আওয়ামী লীগ আমাদের দেশের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “গণ-অভ্যুত্থান মানে শুধু ৩৬ দিনের আন্দোলন নয়—গত ১৬ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে। তারা চেয়েছে একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও বসবাসযোগ্য বাংলাদেশ। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।”
সরকার পতনের আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করার নানা ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, “অনেক চেষ্টা চলছে আমাদের ভাঙার জন্য, বিভক্ত করার জন্য। আমাদের পাশের দেশ শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। সেখান থেকে মাঝে মাঝে হুমকি আসে, ষড়যন্ত্র হয়, অস্থিরতা তৈরি করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে—ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে কোনোদিন আর রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৫
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে আর কোনোদিন রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ আজ জেগে উঠেছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এখন পরিবর্তনের জোয়ার।”
রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত ছাত্র-সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের সামনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে এই বাংলাদেশকে নতুন করে তৈরি করার। আজকের সমাবেশে সারাদেশ থেকে তরুণেরা এসেছে। এটা অত্যন্ত আনন্দের, একইসঙ্গে কষ্টেরও দিন। গত বছর এই দিনে আওয়ামী লীগ আমাদের দেশের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “গণ-অভ্যুত্থান মানে শুধু ৩৬ দিনের আন্দোলন নয়—গত ১৬ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা রক্ত দিয়েছে, জীবন দিয়েছে। তারা চেয়েছে একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক ও বসবাসযোগ্য বাংলাদেশ। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।”
সরকার পতনের আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করার নানা ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, “অনেক চেষ্টা চলছে আমাদের ভাঙার জন্য, বিভক্ত করার জন্য। আমাদের পাশের দেশ শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। সেখান থেকে মাঝে মাঝে হুমকি আসে, ষড়যন্ত্র হয়, অস্থিরতা তৈরি করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে—ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে কোনোদিন আর রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।

আপনার মতামত লিখুন