বিশেষ প্রতিনিধি, মো: ছিরু মিয়া
মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ:
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনসমূহের আয়োজনে বর্ণাঢ্য মিছিলটি বের হয়।
মিছিলটি কমলাপুর ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চন্ডীবর্দী সোনালী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। স্লোগানে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা।
https://youtu.be/UQ1Z19dQyP8সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসনের নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম।
তিনি বলেন,
“জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ছিল এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক জাগরণের অধ্যায়। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার রক্ষা এবং স্বেচ্ছাচারী শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক। আমরা সেই আন্দোলনের উত্তরসূরি। আজকের এই দিন আমাদের নতুনভাবে শপথ নেওয়ার দিন।”
তিনি আরও বলেন,
“দুঃশাসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জনগণের কষ্ট ও গনতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
সমাবেশে অন্যান্য নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন এবং আন্দোলনের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আগামী দিনের সংগ্রামে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৫
বিশেষ প্রতিনিধি, মো: ছিরু মিয়া
মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ:
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনসমূহের আয়োজনে বর্ণাঢ্য মিছিলটি বের হয়।
মিছিলটি কমলাপুর ব্রিজ এলাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চন্ডীবর্দী সোনালী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। স্লোগানে স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা।
https://youtu.be/UQ1Z19dQyP8সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসনের নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম।
তিনি বলেন,
“জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ছিল এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক জাগরণের অধ্যায়। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার রক্ষা এবং স্বেচ্ছাচারী শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক। আমরা সেই আন্দোলনের উত্তরসূরি। আজকের এই দিন আমাদের নতুনভাবে শপথ নেওয়ার দিন।”
তিনি আরও বলেন,
“দুঃশাসন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জনগণের কষ্ট ও গনতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
সমাবেশে অন্যান্য নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন এবং আন্দোলনের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আগামী দিনের সংগ্রামে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন