সারাদেশের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঞ্চল নাটোরে বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সরব আলোচনা চলছে। বিশেষ করে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে দমন-পীড়ন, মামলা ও দীর্ঘ সাংগঠনিক দুর্বলতার পর নতুন ও পুরাতন নেতৃত্বের সক্রিয়তা রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিগত এক যুগ ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দমননীতি ও মামলা-হামলার ফলে সিংড়া বিএনপি প্রায় ভেঙে পড়েছিল। ২০০৮ সালে নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হন জুনায়েদ আহমেদ পলক, যিনি পরে একাধিকবার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় বিএনপির অভিযোগ, তার সময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানিতে তৃণমূল সংগঠন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
[caption id="attachment_13707" align="alignnone" width="300"]
ছবি: দাউদার মাহমুদ[/caption]
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অংশগ্রহণ করলে নাটোর-৩ আসনে মনোনয়ন পান স্থানীয় সাবেক ছাত্র ও যুবনেতা দাউদার মাহমুদ। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার নেতৃত্ব উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলে। নির্বাচনী প্রচারে হামলা, পোস্টার ছেঁড়া ও প্রশাসনিক হয়রানি সত্ত্বেও তিনি সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন, যা রাজনৈতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা পায়।
অন্যদিকে, সিংড়া আসনের সাবেক তিনবারের এমপি কাজী গোলাম মোর্শেদ দীর্ঘ রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তা কাটিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনরায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেননি, যা নিয়ে দলের ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কিছু নেতাকর্মীর দাবি, তিনি ‘নেত্রীকে জেলে রেখে’ নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যদিও এ নিয়ে প্রশ্নও উঠছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নাটোর-৩ আসনে বিএনপির পরবর্তী প্রার্থী নির্বাচন ‘নতুন বনাম পুরাতন’ নেতৃত্বের লড়াইয়ে রূপ নিতে পারে। তৃণমূলে দলীয় ঐক্য ফিরিয়ে আনা এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের দখল ভাঙাই হবে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৫
সারাদেশের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অঞ্চল নাটোরে বিএনপির সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সরব আলোচনা চলছে। বিশেষ করে নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে দমন-পীড়ন, মামলা ও দীর্ঘ সাংগঠনিক দুর্বলতার পর নতুন ও পুরাতন নেতৃত্বের সক্রিয়তা রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিগত এক যুগ ধরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দমননীতি ও মামলা-হামলার ফলে সিংড়া বিএনপি প্রায় ভেঙে পড়েছিল। ২০০৮ সালে নৌকা প্রতীকে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হন জুনায়েদ আহমেদ পলক, যিনি পরে একাধিকবার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় বিএনপির অভিযোগ, তার সময়ে দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানিতে তৃণমূল সংগঠন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
[caption id="attachment_13707" align="alignnone" width="300"]
ছবি: দাউদার মাহমুদ[/caption]
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অংশগ্রহণ করলে নাটোর-৩ আসনে মনোনয়ন পান স্থানীয় সাবেক ছাত্র ও যুবনেতা দাউদার মাহমুদ। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার নেতৃত্ব উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলে। নির্বাচনী প্রচারে হামলা, পোস্টার ছেঁড়া ও প্রশাসনিক হয়রানি সত্ত্বেও তিনি সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন, যা রাজনৈতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা পায়।
অন্যদিকে, সিংড়া আসনের সাবেক তিনবারের এমপি কাজী গোলাম মোর্শেদ দীর্ঘ রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তা কাটিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনরায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেননি, যা নিয়ে দলের ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কিছু নেতাকর্মীর দাবি, তিনি ‘নেত্রীকে জেলে রেখে’ নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যদিও এ নিয়ে প্রশ্নও উঠছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নাটোর-৩ আসনে বিএনপির পরবর্তী প্রার্থী নির্বাচন ‘নতুন বনাম পুরাতন’ নেতৃত্বের লড়াইয়ে রূপ নিতে পারে। তৃণমূলে দলীয় ঐক্য ফিরিয়ে আনা এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের দখল ভাঙাই হবে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আপনার মতামত লিখুন