ঢাকা, বুধবার (১৩ আগস্ট ২০২৫):
৩৩ প্রকার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)। বুধবার কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামাদ মৃধা।
সামাদ মৃধা জানান, সিন্ডিকেট ভেঙে যৌক্তিক মূল্যে র-ম্যাটেরিয়াল কেনার ব্যবস্থা করায় উৎপাদন খরচ কমেছে। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক, নিউমোনিয়া, সর্দি-জ্বর, উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক আলসার, কৃমিনাশক, ব্যথানাশক, হাঁপানি ও ভিটামিনসহ ৩৩টি ওষুধের দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হয়েছে।
ইডিসিএল জানায়, ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল, কেটোরোলাক ইনজেকশন, অনডানসেট্রন ইনজেকশন, সেফট্রিয়াক্সোন ও সেফটাজিডিম ইনজেকশনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।
মেরোপেন ওমিপ্রাজল ইনজেকশনসহ মনটিলুকাস্ট ট্যাবলেটের দামও কমেছে—যার দাম আগে ছিল ১০ টাকা ৬৭ পয়সা, এখন ৫ টাকা।
গ্রামীণ ক্লিনিকের তালিকাভুক্ত ৩২টি ওষুধের মধ্যে ২২টির দামও হ্রাস পেয়েছে, যার মধ্যে আছে গ্যাস্ট্রিকের অ্যান্টাসিড, প্যারাসিটামল, সালবিউটামল, অ্যালবেনডাজল, ক্লোরামফেনিকল আই ড্রপ, মেটফর্মিন ইত্যাদি।
কর্মী ছাঁটাই প্রসঙ্গে সামাদ মৃধা বলেন, প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনক্ষমতার তুলনায় দুই হাজারের বেশি অতিরিক্ত জনবল ছিল। তাদের মধ্যে অনেকে অদক্ষ ও জাল সনদধারী, যারা কোনো কাজ করতো না।
এ পর্যন্ত ৭২২ জনকে ছাঁটাই করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আরও এক হাজারের বেশি জনবল ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। যাদের ছাঁটাই করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তিনি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৫
ঢাকা, বুধবার (১৩ আগস্ট ২০২৫):
৩৩ প্রকার অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়েছে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)। বুধবার কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামাদ মৃধা।
সামাদ মৃধা জানান, সিন্ডিকেট ভেঙে যৌক্তিক মূল্যে র-ম্যাটেরিয়াল কেনার ব্যবস্থা করায় উৎপাদন খরচ কমেছে। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক, নিউমোনিয়া, সর্দি-জ্বর, উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক আলসার, কৃমিনাশক, ব্যথানাশক, হাঁপানি ও ভিটামিনসহ ৩৩টি ওষুধের দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হয়েছে।
ইডিসিএল জানায়, ওমিপ্রাজল ক্যাপসুল, কেটোরোলাক ইনজেকশন, অনডানসেট্রন ইনজেকশন, সেফট্রিয়াক্সোন ও সেফটাজিডিম ইনজেকশনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।
মেরোপেন ওমিপ্রাজল ইনজেকশনসহ মনটিলুকাস্ট ট্যাবলেটের দামও কমেছে—যার দাম আগে ছিল ১০ টাকা ৬৭ পয়সা, এখন ৫ টাকা।
গ্রামীণ ক্লিনিকের তালিকাভুক্ত ৩২টি ওষুধের মধ্যে ২২টির দামও হ্রাস পেয়েছে, যার মধ্যে আছে গ্যাস্ট্রিকের অ্যান্টাসিড, প্যারাসিটামল, সালবিউটামল, অ্যালবেনডাজল, ক্লোরামফেনিকল আই ড্রপ, মেটফর্মিন ইত্যাদি।
কর্মী ছাঁটাই প্রসঙ্গে সামাদ মৃধা বলেন, প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনক্ষমতার তুলনায় দুই হাজারের বেশি অতিরিক্ত জনবল ছিল। তাদের মধ্যে অনেকে অদক্ষ ও জাল সনদধারী, যারা কোনো কাজ করতো না।
এ পর্যন্ত ৭২২ জনকে ছাঁটাই করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে আরও এক হাজারের বেশি জনবল ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। যাদের ছাঁটাই করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন