জাহিদুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের পর কার্যকর, আধুনিক ও নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়নের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সরকার উল্টো পূর্বের ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাক্রমে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়, যা জনগণকে হতাশ করেছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, ২০১০ সালের শিক্ষানীতিতে ধর্মীয় শিক্ষাকে বিকৃত করা হয় এবং ইসলামবিরোধী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা ২০২২ সালে পূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হয়। ছাত্রশিবিরের দাবি—শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে এমন পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে, যা সবার জন্য সমানভাবে উপযোগী হবে এবং দেশের মৌলিক চাহিদা পূরণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, স্বাধীনতার পর থেকে টেকসই ও যুগোপযোগী শিক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে এ হার ২ শতাংশেরও কম। শিক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সমতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সৃজনশীল শিক্ষার প্রসারে রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হতে হবে।
প্রস্তাবিত ৩০ দফা সংস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা কমিশন গঠন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তকরণ
ইসলামী মূল্যবোধ ও নৈতিকতার সমন্বয়ে আধুনিক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত শিক্ষায় (STEM) অগ্রাধিকার
উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক শিক্ষা আইন
স্বাধীন নিয়োগ কমিশন গঠন
নারী শিক্ষার প্রসারে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত
শতভাগ আবাসন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা
গবেষণামুখী উচ্চশিক্ষা
মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন
মূল্যায়ন পদ্ধতি ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্কার
ছাত্ররাজনীতির সঠিক চর্চা ও ছাত্রসংসদ নির্বাচন
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, সুবিধাবঞ্চিত ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার উন্নয়ন
ছাত্রশিবির মনে করে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক ত্রুটি দূর হবে এবং সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরি করা সম্ভব হবে। সংগঠনটি দ্রুত শিক্ষা সংস্কার কার্যক্রম শুরু করে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৫
জাহিদুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের পর কার্যকর, আধুনিক ও নৈতিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়নের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সরকার উল্টো পূর্বের ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষাক্রমে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দেয়, যা জনগণকে হতাশ করেছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, ২০১০ সালের শিক্ষানীতিতে ধর্মীয় শিক্ষাকে বিকৃত করা হয় এবং ইসলামবিরোধী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা ২০২২ সালে পূর্ণ বাস্তবায়ন শুরু হয়। ছাত্রশিবিরের দাবি—শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে এমন পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে, যা সবার জন্য সমানভাবে উপযোগী হবে এবং দেশের মৌলিক চাহিদা পূরণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, স্বাধীনতার পর থেকে টেকসই ও যুগোপযোগী শিক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন বারবার উপেক্ষিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী জিডিপির অন্তত ৬ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে এ হার ২ শতাংশেরও কম। শিক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সমতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সৃজনশীল শিক্ষার প্রসারে রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হতে হবে।
প্রস্তাবিত ৩০ দফা সংস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা কমিশন গঠন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তকরণ
ইসলামী মূল্যবোধ ও নৈতিকতার সমন্বয়ে আধুনিক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন
বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত শিক্ষায় (STEM) অগ্রাধিকার
উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক শিক্ষা আইন
স্বাধীন নিয়োগ কমিশন গঠন
নারী শিক্ষার প্রসারে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত
শতভাগ আবাসন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা
গবেষণামুখী উচ্চশিক্ষা
মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন
মূল্যায়ন পদ্ধতি ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সংস্কার
ছাত্ররাজনীতির সঠিক চর্চা ও ছাত্রসংসদ নির্বাচন
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, সুবিধাবঞ্চিত ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার উন্নয়ন
ছাত্রশিবির মনে করে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক ত্রুটি দূর হবে এবং সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরি করা সম্ভব হবে। সংগঠনটি দ্রুত শিক্ষা সংস্কার কার্যক্রম শুরু করে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানায়।

আপনার মতামত লিখুন