বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
বিএনপি চেয়ারপারসন এবং দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ (১৫ আগস্ট ২০২৫) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা হয়েছে। ১৯৪৫ সালের এই দিনে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা বেগম জিয়া, স্বামীর মৃত্যুর পর রাজনীতিতে প্রবেশ করে গৃহবধূ থেকে দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে অধিষ্ঠিত হন— যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে বিএনপি জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার উৎসব থেকে বিরত রয়েছে। এর পরিবর্তে সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এই দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে। দলীয় প্রধান কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুক্ত পরিবেশে এটি দ্বিতীয়বারের মতো উদযাপিত হলেও, এবারও কোনো আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান রাখা হয়নি। বরং দিনটি পালন করা হয়েছে নীরব ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে।
মুকসুদপুর উপজেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ হাবিব জান (মিয়া)। এ ছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নেত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, ৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সুস্থতার জন্যও মোনাজাত করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা বেগম জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় একাত্মতা প্রকাশ করেন।
বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৫
বিএনপি চেয়ারপারসন এবং দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ (১৫ আগস্ট ২০২৫) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা হয়েছে। ১৯৪৫ সালের এই দিনে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করা বেগম জিয়া, স্বামীর মৃত্যুর পর রাজনীতিতে প্রবেশ করে গৃহবধূ থেকে দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে অধিষ্ঠিত হন— যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে বিএনপি জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটার উৎসব থেকে বিরত রয়েছে। এর পরিবর্তে সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এই দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে। দলীয় প্রধান কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন মসজিদে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুক্ত পরিবেশে এটি দ্বিতীয়বারের মতো উদযাপিত হলেও, এবারও কোনো আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান রাখা হয়নি। বরং দিনটি পালন করা হয়েছে নীরব ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে।
মুকসুদপুর উপজেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ হাবিব জান (মিয়া)। এ ছাড়াও বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নেত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, ৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আহতদের সুস্থতার জন্যও মোনাজাত করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা বেগম জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় একাত্মতা প্রকাশ করেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন